স্বামী মদ্যপ। প্রায়ই নাকি বাড়ি আসেন মদ খেয়ে। আর তাই তাঁকে 'শায়েস্তা' করতে খাটে শুইয়ে দড়ি দিয়ে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠল এক গৃহবধূর বিরুদ্ধে। অনলাইনে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি দেখে থানায় হাজির হলেন অভিযুক্তর শাশুড়ি। দাবি করলেন, বউমা নাকি পিস্তল দিয়ে গুলি করে মারার হুমকি দিচ্ছেন। এমনই এক ঘটনায় শোরগোল উত্তরপ্রদেশের আলিগড়ে।
সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, এক ব্যক্তিকে খাটের সঙ্গে বাঁধা হয়েছে। ওই ব্যক্তিই প্রদীপ, আলিগড়ের হামিদপুরের বাসিন্দা। পুলিশ তদন্তে জানা গেছে যে প্রদীপ প্রায়শই তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে ঘরোয়া বিবাদে জড়িয়ে পড়তেন। স্ত্রীর অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থায় প্রদীপ প্রায়শই কেবল বাড়িতেই নয়, প্রতিবেশীদের সঙ্গেও ঝগড়া করেন। ভিডিওয় প্রদীপের মা ও স্থানীয় মহিলাদের দেখা যাচ্ছে, তাঁরা গিয়ে প্রদীপের হাতের বাঁধন খুলে দেন।
সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, এক ব্যক্তিকে খাটের সঙ্গে বাঁধা হয়েছে। ওই ব্যক্তিই প্রদীপ, আলিগড়ের হামিদপুরের বাসিন্দা। পুলিশ তদন্তে জানা গেছে যে প্রদীপ প্রায়শই তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে ঘরোয়া বিবাদে জড়িয়ে পড়তেন।
এদিকে এই পরিস্থিতিতে প্রদীপের মা অভিযোগের আঙুল তুলছেন তাঁর বউমার দিকেই। বলছেন, 'আমার ছেলে প্রদীপকে ওর স্ত্রী মারধর করে। বউমার কাছে একটা পিস্তল আছে। যা দিয়ে সারাক্ষণ খুনের হুমকি দিতে থাকে। আমি পুরো বাড়ি তন্নতন্ন করে খুঁজেছি, কিন্তু পিস্তলটি খুঁজে পাইনি। পুত্রবধূ রসুলপুরের বাসিন্দা, নাম সোনি। ওদের বিয়ে হয়েছে চার বছর। গত দু'বছর ধরে আমাদের হয়রানি করে চলে চলেছে। আমরা পুলিশ এবং জনপ্রতিনিধিদের কাছেও অভিযোগ করেছি। আর এবার হাজির হয়েছিল থানায়।' জানা যাচ্ছে, ভাইরাল ভিডিওটি দেখার পর স্থানীয় টাপ্পল থানা প্রদীপের স্ত্রীকে থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। পুরো বিষয়টিই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রদীপের স্ত্রীর হাতের বন্দুকটি ঘরের কোথাও কেন পাওয়া গেল না, সেটাও দেখছেন তদন্তকারীরা।
