গুরুগ্রামের একটি ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয়েছে এক যুবকের দেহ। প্রাথমিক তদন্তের পর মনে করা হচ্ছে যৌন উত্তেজক ওষুধের ওভারডোজই তাঁর প্রাণ কেড়েছে। পুলিশ তাঁর ঘর থেকে শক্তিবৃদ্ধির ওষুধপত্র উদ্ধার করার পরই এই ধারণা দৃঢ় হচ্ছে বলে দাবি তদন্তকারীদের।
পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, নিহত যুবকের নাম রোহিত লাল। ২৯ বছরের ওই যুবক নয়াদিল্লিতে কর্মরত ছিলেন। গুরুগ্রামে একটি ফ্ল্যাটে একাই থাকতেন নাগপুরের ওই বাসিন্দা। পুলিশ ময়নাতদন্তের পর রোহিতের দেহ তাঁর পরিবারের হাতে তুলে দিয়েছে। তাঁর এক সহকর্মী জানিয়েছেন, তিনি রোহিতের সঙ্গেই রোজ অফিসে যেতেন। এদিন অফিসের জন্য রওনা হওয়ার আগে তিনি ফোন করলেও রোহিত তোলেননি।
মনে করা হচ্ছে, সঙ্গিনীর সঙ্গে মিলনের জন্য যৌন উত্তেজক ওষুধ খেয়েছিলেন রোহিত। আর সেই কারণেই তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
ফ্ল্যাটে এসে ডাকাডাকি করলেও তিনি দরজা খুলছিলেন না। এতেই আশঙ্কা ঘন হতে থাকে। দ্রুত পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরে ঘরের দরজা ভেঙে দেখা যায় বিছানায় অচেতন হয়ে পড়ে রয়েছেন রোহিত। এরপর পরিষ্কার হয়, তাঁর শরীরে প্রাণ আর অবশিষ্ট নেই।
তদন্ত শুরু করে পুলিশ জানতে পেরেছে, নিজের বাগদত্তাকে নিজের ফ্ল্যাটে ডেকেছিলেন রোহিত। কিন্তু ওই যুবতী আসার আগেই মারা যান তিনি। মনে করা হচ্ছে, সঙ্গিনীর সঙ্গে মিলনের জন্য যৌন উত্তেজক ওষুধ খেয়েছিলেন রোহিত। আর সেই কারণেই তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তবে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, মৃত্যুর সঠিক কারণ কেবল ভিসেরা রিপোর্ট পাওয়ার পরেই জানা যাবে। তাঁরা সব দিক খতিয়ে দেখছেন।
