বিমান দুর্ঘটনায় মৃত অজিত পওয়ারের মৃত্যু (Ajit Pawar Death) রহস্যে নয়া মোড়। এয়ারক্রাফ্ট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরোর (AAIB) প্রাথমিক রিপোর্ট বলছে, বারামতির যে বিমানবন্দরে পওয়ারের বিমান নেমেছিল, তাতেই বড়সড় গলদ ছিল। সেখানেই সম্ভবত নিরাপত্তা সংক্রান্ত সব নিয়ম মানা হয়নি।
২৮ জানুয়ারি মুম্বই থেকে বারামতী যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা কবলে পড়েছিল অজিত পওয়ারের বিমান। এর পরদিনই সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় বিমানের ব্ল্যাক বক্স। দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত শুরু করে এএআইবি। সম্প্রতি এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানে দুটি ফ্লাইট রেকর্ডার ছিল একটি ডিজিটাল ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার ও অন্যটি ককপিট ভয়েস রেকর্ডার। দুর্ঘটনার পর ভয়ংকর আগুন ও অতিরিক্ত তাপে দুটি যন্ত্রই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেই সব উদ্ধার করে তুলে দেওয়া হয় AAIB-র হাতে।
সেসব খতিয়ে দেখে প্রাথমিক রিপোর্টে AAIB বলছে, বারামতিতে বিমানবন্দরে অজিত পওয়ারের বিমানটি জরুরি অবতরণের সময় দৃশ্যমানতা ছিল মাত্র ৩ কিলোমিটার। যা নির্ধারিত মাপকাঠির অনেকটাই নিচে। দুর্ঘটনার ঠিক আগে ককপিট ভয়েস রেকর্ডারে পাইলটদের “ও শিট, ও শিট” বলতে শোনা যায়। তবে তাপজনিত ক্ষতির কারণে সিভিআরের ডেটা আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে দুর্ঘটনার সঠিক কারণ জানা যাচ্ছে না। ওই রিপোর্টে ডিজিসিএ-কে বলা হয়েছে, বারামতির মতো এয়ারফিল্ডগুলিতে নিরাপত্তার দিকটি ভেবে দেখতে হবে। যেখানে ভিআইপি বা চার্টার্ড ফ্লাইট বেশি ওঠানামা করে সেগুলির অবতরণ সহায়ক ব্যবস্থা ও আবহাওয়া সংক্রান্ত পরিষেবা আরও উন্নত করতে হবে।
বিমান দুর্ঘটনায় মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ারের মৃত্যুতে শুরু থেকেই প্রশ্ন তুলেছেন তাঁর ভাইপো রোহিত পওয়ার। বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দিয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে অজিতের স্ত্রী সুনেত্রা পওয়ার ও এনসিপির তরফে। প্রশ্ন উঠছে, বিমানবন্দরেই যদি গলদ থেকে থাকে, তাহলে অজিতের বিমান নামতে দেওয়া হল কেন?
