সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যে ছেলেকে মায়ের একদম পছন্দ নয়, সেই ছেলের সঙ্গেই পালিয়ে বিয়ে করেছে মেয়ে। এই ছিল তাঁর অপরাধ। আর এই অপরাধেই থানার ভিতরে দাঁড়িয়েই জামাইকে কোপাল শাশুড়ি। ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের খাড়গন এলাকার পুলিশ স্টেশনে।
[কবে ‘স্যার’ আসবেন? দিনের পর দিন স্কুলের বাইরে অপেক্ষায় শিশুরা]
ভোপালের ভাওসার কলোনির বাসিন্দা প্রেরণা মহাজন ওরফে শানুর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে সাগর ধারে নামে এক যুবকের। সাগরও একই কলোনির বাসিন্দা। দু’জনের সম্পর্কের কথা জানাজানি হতে বেশি সময় লাগেনি। আর এই সম্পর্কে প্রবল আপত্তি ছিল প্রেরণার মা সীমার। মায়ের আপত্তিকে অগ্রাহ্য করেই আগস্ট মাসের ১৯ তারিখ সাগরের সঙ্গে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে নেয় প্রেরণা। সীমা দারস্থ হয় পুলিশের। মধ্যস্থতা করার জন্য থানায় এনে হাজির করা হয় দুই পক্ষকে।
[‘তিন তালাক’ মন্তব্যের জের, সোশ্যাল মিডিয়ায় হেনস্তার শিকার কাইফ]
সাগরকে দেখেই আচমকা ছুরি নিয়ে পুলিশের সামনেই তাঁর উপরে হামলা করে বসে সীমা। এলোপাথাড়ি কোপ বসাতে থাকে তাঁর শরীরে। প্রথমে চমকে গেলেও প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই সীমাকে ধরে ফেলে পুলিশ। ততক্ষণে অবশ্য ন’বার জামাইকে ছুরিকাঘাত করে ফেলে সীমা। রক্তাক্ত সাগরকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হাসপাতালে। গ্রেপ্তার করা হয় সীমাকে। পরে পুলিশের কাছে প্রেরণা জানান, তাঁর বাবা ও ভাইয়ের কোনও আপত্তি নেই এ বিয়েতে। আপত্তি কেবলমাত্র তাঁর মায়ের। ঘটনার পর মায়ের বিরুদ্ধে খাড়গন থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন যুবতী। তবে হঠাৎ কেন সীমা এমন আচরণ করল? পরিবারের বাকি সকলে মেয়ের বিয়েতে রাজি হলে তারই বা আপত্তি কেন? তা নিয়েই ধন্দে পুলিশ।
[ডোকলামের পর ভারতের চালে শ্রীলঙ্কা হাতছাড়া চিনের!]
The post পালিয়ে বিয়ের শাস্তি, থানাতেই জামাইকে ছুরির কোপ শাশুড়ির appeared first on Sangbad Pratidin.
