shono
Advertisement
TCS Nashik Case

পালিয়েও শেষরক্ষা হল না, টিসিএসে ধর্মান্তকরণ কাণ্ডে গ্রেপ্তার মূল অভিযুক্ত নিদা খান

যৌন নির্যাতন, মানসিক হেনস্তা এবং ধর্মান্তরণের অভিযোগ আইটি জায়েন্ট সংস্থার নাসিক কেন্দ্রের বেশ কিছু কর্মীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্তদের প্রধান ছিলেন নিদা।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 03:32 PM May 08, 2026Updated: 04:23 PM May 08, 2026

নাসিকের টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসের (টিসিএস) ধর্মান্তকরণ কাণ্ডে এতদিন গা ঢাকা দিয়ে থাকার পর অবশেষে গ্রেপ্তার নিদা খান। বৃহস্পতিবার রাতে মহারাষ্ট্রের শম্ভাজিনগর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাঁকে। নাসিক এসআইটি, ছত্রপতি শম্ভাজিনগর ক্রাইম ব্রাঞ্চ এবং ছত্রপতি শম্ভাজিনগর পুলিশ কমিশনারের যৌথ অভিযানের গ্রেপ্তার হন নিদা খান। গ্রেপ্তার পর তাঁকে নাসিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, টিসিএস মামলায় (TCS Nashik Case) তাঁর নাম সামনে আসার পর সংস্থার তরফে সাসপেন্ড করা হয় নিদাকে। পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে এতদিন পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন অভিযুক্ত। গত চারদিন ধরে তিনি নারেগাঁওয়ের কায়সার কলোনিতে একটি ফ্ল্যাটে গিয়ে উঠেছিলেন। সেখানে তিনি তাঁর বাবা-মা, মাসি এবং তিন আত্মীয়ের সঙ্গে থাকতে শুরু করেন। পুলিশ গত দু'দিন ধরে ওই ফ্ল্যাটে নজর রাখছিল। এরপর বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তার করা হয় অভিযুক্তকে। সেখানে ডাক্তারি পরীক্ষার পর ট্রানজিট রিমান্ডে শুক্রবার সকালে নিদাকে নিয়ে আসা হয়েছে নাসিকে।

গত চারদিন ধরে তিনি নারেগাঁওয়ের কায়সার কলোনিতে একটি ফ্ল্যাটে গিয়ে উঠেছিলেন। সেখানে তিনি তাঁর বাবা-মা, মাসি এবং তিন আত্মীয়ের সঙ্গে থাকতে শুরু করেন। পুলিশ গত দু'দিন ধরে ওই ফ্ল্যাটে নজর রাখছিল।

উল্লেখ্য, যৌন নির্যাতন, মানসিক হেনস্তা এবং ধর্মান্তরণের অভিযোগ আইটি জায়েন্ট সংস্থার নাসিক কেন্দ্রের বেশ কিছু কর্মীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্তদের প্রধান ছিলেন নিদা। জানা যায়, নিদা খান দাপ্তরিক ভাবে এইচআর প্রধান পদে ছিলেন না, তিনি টেলিকলার হিসাবেই সংস্থায় যোগ দেন। যদিও কার্যক্ষেত্রে এইচআর প্রধানের কাজ করতেন। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি একটি চক্রের হয়ে ‘কর্পোরেট জেহাদ’-এর কাজ করতেন। সংস্থার মহিলা কর্মীদের জোর করে ধর্মান্তরণের চেষ্টা করতেন। এমনকী হিন্দু কর্মীদের আমিষ খাবার খেতে বাধ্য করতেন বলেও অভিযোগ। জবরদস্তি একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় রীতিনীতি পালনের জন্য চাপ দিতেন বলেও অভিযোগ।

এই ঘটনায় এফআইআর করেছেন ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সি টিসিএস-এর মহিলা কর্মীরা। গত দুই থেকে তিন বছর ধরে তাঁদের উপর নির্যাতন চলেছে বলে অভিযোগ। গ্রেপ্তার হওয়া ছয় অভিযুক্তের মধ্যে টিসিএসের ইঞ্জিনিয়ার পদমর্যাদার আধিকারিকও রয়েছেন। আরও কয়েক জনের বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছে পুলিশ। প্রয়োজনে তাঁদেরও গ্রেপ্তার করা হবে। এএনআই-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, শ্লীলতাহানি ও ধর্মান্তরণের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে টিসিএসের বিভিন্ন পদে থাকা আসিফ আনসারি, শফি শেখ, শাহরুখ কুরেশি, রাজা মেমন, তৌসিফ আত্তার এবং অশ্বিন চাইনানিকে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হলেন অন্যতম অভিযুক্ত নিদা খান।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement