বেঙ্গালুরু, মুম্বইয়ের মতো দেশের একাধিক মেট্রো শহরে যানজট এড়াতে এবার প্রযুক্তিগতভাবে নয়া উদ্যোগ! আর সেই পথে হেঁটেই গুরুগ্রাম, কনট প্লেস এবং নয়ডার জিওয়ার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংযোগকারী পাইলট করিডর চালু হতে পারে বলে খবর। আর এই করিডর তৈরি হলে শুরু হতে পারে এয়ার ট্যাক্সি পরিষেবা। হাসপাতাল, মেট্রো স্টেশন এবং শিল্পনগরীগুলির জন্য এই পরিষেবা অত্যন্ত সহায়ক হতে পারে।
সিআইআই-এর (কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রিজ) তরফে সাম্প্রতিক একটি রিপোর্টে এই কথা জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে আরও বলা হয়েছে যে, এই এয়ার ট্যাক্সি পরিষেবা কাজ করতে পারে হাসপাতাল কিংবা সু-উচ্চ বাণিজ্যিক কোনও ভবনের ছাদ (রুফটপ) থেকে। সেখানেই হতে পারে এই ধরনের যানের টেক-অফ এবং অবতরণ। প্রাথমিক পর্যায়ে প্রতিস্থাপনযোগ্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ পৌঁছে দেওয়া বা এই ধরনের অন্যান্য জরুরি-ভিত্তিক 'মেডিক্যাল' পরিষেবা প্রদান করার ক্ষেত্রে এয়ার ট্যাক্সির ব্যবহার করা যেতে পারে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।
এয়ারপোর্টের মতোই এখানে যাত্রীদের ওঠা-নামা এবং ট্যাক্সি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা থাকে।
ভারতে এয়ার ট্যাক্সি প্রযুক্তি নতুনই বলা চলে। প্রযুক্তিক্ষেত্রে এয়ার মোবিলিটি সলিউশনস-এ দেশের উত্তরণের ক্ষেত্রে এটি এক ধরনের পরবর্তী ধাপ। এয়ার ট্যাক্সির একটি বিশেষত্ব রয়েছে। আর সেটি হল-এগুলি ইলেক্ট্রিক্যাল ভার্টিকল টেক অফ এবং ল্যান্ডিং করে। ভারতের আকাশসীমায় চলতে গেলেও সেভাবেই এগোবে। আরও একটি বিষয়। এয়ার ট্যাক্সির টেক অফ এবং ল্যান্ডিংয়ের জন্য 'ভার্টিপোর্ট' প্রয়োজন হয়। এখানেই যানটির উল্লম্ব টেক-অফ ও ল্যান্ডিং হয়। ব্যস্ত শহরগুলিতে যানজট এড়াতে এবং দ্রুত যাতায়াতের জন্য হাসপাতাল, টেক পার্ক বা উঁচু বহুতল ভবনের ছাদে এই পরিকাঠামো তৈরি করা হয়।
এয়ারপোর্টের মতোই এখানে যাত্রীদের ওঠা-নামা এবং ট্যাক্সি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা থাকে। এ ছাড়াও যেভাবে দেশে বাণিজ্যিক বিমান চলাচল ডিজিসিএ-এর নজরদারির আওতায় রয়েছে, সেভাবেই এই নতুন পরিষেবা নজরদারির জন্যও নতুন নিয়ামক সংস্থা গড়ে তোলা হবে বলে সিআইআই-এর রিপোর্টে বলা হয়েছে।
