বাংলাদেশে সংসদীয় নির্বাচনের দোরগোড়ায় আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি (পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি) স্বাক্ষর করল মহম্মদ ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকার। এর ফলে বাংলাদেশি পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার ১৯ শতাংশে দাঁড়াল। এক্স হ্যান্ডেলে নিজেই আমেরিকা-বাংলাদেশ চুক্তির কথা জানিয়েছেন ইউনুস। কোন শর্তে উভয় দেশের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে?
গত বছর বিশ্বের একাধিক দেশের বিরুদ্ধে কার্যত শুল্কযুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের উপর মোটা হারের পারস্পরিক শুল্ক আরোপ করেন তিনি। ওই সময় প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশি পণ্যের উপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করেন। এর পর গত বছরেরই আগস্টে তা কমিয়ে ২০ শতাংশে নামিয়ে আনেন। সেই শুল্ক আবারও কমানো হল।
প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশি পণ্যের উপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করেন ট্রাম্প।
এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টে ইউনুস লিখেছেন, ‘‘সোমবার বাংলাদেশ এবং আমেরিকা একটি পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, ওয়াশিংটন তার শুল্ক হার আরও কমিয়ে ১৯ শতাংশে এনেছে।’’ ইউনুস আরও জনিয়েছেন, পরবর্তীকালে শূন্য পারস্পরিক শুল্কের জন্য বাংলাদেশ থেকে আসা কিছু টেক্সটাইল এবং পোশাক পণ্যের জন্য একটি বিকল্প মেকানিজম গড়ার বার্তা দিয়েছে আমেরিকা। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ মূলত টেক্সটাইল তথা পোশাক রপ্তানি করে। দেশটির মোট রপ্তানির প্রায় ৮০ শতাংশই টেক্সটাইল ক্ষেত্রে।
প্রায় ৯ মাসের দীর্ঘ আলোচনার পর আমেরিকার সঙ্গে পারস্পরিক শুল্ক নিয়ে চুক্তি করল বাংলাদেশ। প্রশ্ন উঠছে, যখন নির্বাচন আসন্ন, অস্থায়ী সরকার আর কিছুদিনের জন্যই ক্ষমতায় থাকবে, তখন এই চুক্তির অর্থ কী?
