রাজ্যসভা ভোটে ক্রস ভোটিং ওড়িশায়। এই ঘটনায় ওড়িশা কংগ্রেসের তিন বিধায়ককে দল থেকে তাড়াল হাত শিবির। শুধু তাই নয়, বিধানসভায় তিন বিধায়ককে অযোগ্য ঘোষণার দাবিতে স্পিকারকে চিঠিও লেখা হয়েছে। শুধু ওড়িশা নয় হরিয়ানাতেও ক্রশ ভোটিংয়ের অভিযোগে পাঁচ বিধায়ককে নোটিস পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ইস্তফা দিয়েছেন হরিয়ানায় কংগ্রেসের কার্যকরি প্রদেশ সভাপতি রামকিশান গুজ্জার।
গত ১৬ মার্চ ১০ রাজ্যের ৩৭ আসনে হয়েছিল রাজ্যসভা নির্বাচন। এর মধ্যে ২৬ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন প্রার্থীরা। তবে বাকি ১১টি আসনে চলে ক্রস ভোট। যার মধ্যে ৯টি আসন যায় এনডিএ-র দখলে। এই তালিকাতেই ছিল ওড়িশা। এখানে তিন বিধায়ক রমেশ জেনা, দশরথী গোমাঙ্গ এবং সোফিয়া ফিরদৌস বিজেপি সমর্থিত নির্দল প্রার্থী দিলীপ রায়কে ভোট দেন। এই ক্রসভোটের জেরে হারতে হয় কংগ্রেস ও বিজেডি সমর্থিত প্রার্থীকে। এই ঘটনার জেরেই দলবিরোধী কাজের অভিযোগ তুলে পার্টি থেকে বরখাস্ত করা হল ৩ বিধায়ককে।
বিধায়কদের বিরুদ্ধে সংবিধানের ১০ ধারা অনুযায়ী পদক্ষেপ করতে বিধানসভা স্পিকারের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এই ঘটনায় ওড়িশার প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি ভক্তচরণ দাস বলেন, 'তিন বিধায়ক যে এমনটা করতে পারেন তা আমরা আশা করিনি। যার ওই বিধায়কদের বিরুদ্ধে সংবিধানের ১০ ধারা অনুযায়ী পদক্ষেপ করতে বিধানসভা স্পিকারের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে। যাতে তাঁদের অযোগ্য বলে ঘোষণা করা হয়।' কংগ্রেস মুখপাত্র অরবিন্দ দাস বলেন, 'অভিযুক্ত বিধায়কদের কার্যকলাপ তদন্ত করে দেখার পরই আমরা এই পদক্ষেপ করেছি। যা হয়েছে তা দল বিরোধী পদক্ষেপ। দলের স্বার্থে ও বাকিদের বার্তা দিতেই আমরা কঠোর পদক্ষেপ করেছি।'
এদিকে একই অভিযোগ উঠেছে হরিয়ানাতেও। ক্রস ভোটিংয়ের অভিযোগে এখানে ৫ বিধায়ককে নোটিস পাঠাতে চলেছে দল। তাঁর আগেই অবশ্য দলের কার্যকরি প্রদেশ সভাপতি রামকিশাণ গুজ্জর দল থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, তাঁর স্ত্রী বিধায়ক শৈলী চৌধুরীও দল থেকে ইস্তফা দিতে পারেন।
