সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অনলাইন গেমের ফাঁদে হিন্দু তরুণ-তরুণীদের মগজধোলাই করে ধর্মান্তরণ! দীর্ঘদিন ধরে আগ্রায় এই চক্র চালাচ্ছিল আবদুল রহমান নামে এক ব্যক্তি। ঘটনার তদন্তে নেমে ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অপরাধ চক্রের তদন্তে পাকিস্তানের যোগ পেয়েছেন তদন্তকারীরা। শুধু তাই নয়, এই চক্র চালাতে কানাডা, ইংল্যান্ড ফিলিপিন্স-সহ মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলি এই সিন্ডিকেটকে অর্থের যোগান দিত।
গত সপ্তাহে আগ্রা থেকে নিখোঁজ হয়েছিলেন দুই হিন্দু তরুণী। সেই মামলার তদন্তে নেমে তাঁদের সোশাল মিডিয়ায় চাঞ্চল্যকর তথ্যে হাতে পায় পুলিশ। সেই সূত্র ধরেই সামনে আসে ধর্মান্তরণ চক্র। বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয় অন্তত ২৫ জনকে। এই চক্রের সঙ্গে ভারতের নিষিদ্ধ সংগঠন পিএফআই ও পাকিস্তানের আইএসআই-এর যোগ পাওয়া গিয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে, এই ঘটনার মূল চক্রি আবদুল রহমাকনের দুই ছেলেকে। তাঁর বাড়ি থেকে এক যুবতীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি জানান, তাঁকে জোর করে ধর্মান্তর করে বিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
আগ্রার পুলিশ কমিশনার দীপক কুমার বলেন, "অনলাইনে গেম খেলার ছলে তরুণ-তরুণীদের সঙ্গে আলাপ জমাত ধর্মান্তকরণ গ্যাংয়ের সদস্যরা। তার পরে চলত মগজধোলাই। পাকিস্তানের হ্যান্ডলাররাও ডার্ক ওয়েবের মাধ্যমে এই মগজ ধোলাইয়ে যোগ দিত।" এই চক্রের সঙ্গে পাকিস্তানের তানভীর আহমেদ ও সাহিল নাদিম নামে দুই হ্যান্ডলারের যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছে পুলিশ। শুধু তাই নয়, ধর্মান্তরণ চক্র চালাতে রীতিমতো স্লিপার সেল গঠন করা হয়। কাশ্মীরের একদল মহিলা জুম লিঙ্কের মাধ্যমে এই হিন্দু মেয়েদের ইসলামের পাঠ দিত। শেখাত নামাজের পদ্ধতি। এভাবে শতাধিক তরুণীকে এরা ধর্মান্তরিত করেছে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
পুলিশের দাবি এই পুরো দলটি বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত ছিল। কেউ সোশাল মিডিয়ায় টার্গেট খুঁজত, তাদের ব্রেন ওয়াশ করত আর একটি দল। অন্য আরএকটি দল তাদের শেখাত ইসলাম ধর্ম ও তার রীতিনীতি। গোটা চক্র চালানোর টাকা আসত বিদেশ থেকে ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে।
