Advertisement

UP Election 2022: ‘মুখ্যমন্ত্রীর মুখ নিয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি’, ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সুরবদল প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর

12:57 PM Jan 22, 2022 |

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সরাসরি না বললেও শুক্রবার প্রিয়াঙ্কা গান্ধী (Priyanka Gandhi) ইঙ্গিত দিয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের নির্বাচনে (UP Assembly Election) কংগ্রেসের (Congress) ‘মুখ্যমন্ত্রীর মুখ’ হচ্ছেন তিনি। যদিও চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে ঢোক গিললেন কংগ্রেস নেত্রী। বললেন, এই বিষয়ে দল এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি।

Advertisement

শুক্রবার নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করে কংগ্রেস। এক অনুষ্ঠানে তা প্রকাশ করেন রাহুল-প্রিয়াঙ্কা। সেই সময়ই প্রিয়াঙ্কার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, এবারের নির্বাচনে ‘কংগ্রেসের মুখ’ কে? উত্তরে প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘‘আপনারা কি অন্য কারও মুখ দেখতে পাচ্ছেন? আমার মুখই তো সর্বত্র দেখা যাচ্ছে, তাই না? ব্যাস।’’

এই বক্তব্যে স্পষ্ট হয়, এবারের নির্বাচনে যোগী, অখিলেশের মতোই প্রিয়াঙ্কা হলেন তাঁর দলের ‘মুখ্যমন্ত্রীর মুখ’। যদিও সেই বক্তব্য থেকে সরে এলেন কংগ্রেস নেত্রী। ? শনিবার সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রিয়াঙ্কা বললেন, “আমি এটা বলছি না যে আমি একমাত্র মুখ। তবে আপনারা বারবার একই প্রশ্ন করেন, তাই আমিও একটু বাড়িয়েই বলেছিলাম।”

Advertising
Advertising

[আরও পড়ুন: উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসের ‘মুখ্যমন্ত্রীর মুখ’ তিনিই, স্পষ্ট ইঙ্গিত প্রিয়াঙ্কার]

প্রিয়াঙ্কা আরও বলেন, দল ঠিক করে কে কোন রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী হবে। এই বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। প্রিয়াঙ্কার বক্তব্য, “অনেক রাজ্য রয়েছে যেখানে ইনচার্জ নিয়োগ করেছে কংগ্রেস বা বিজেপি। আপনি তাঁদের কে প্রশ্ন করেন যে তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীর মুখ কি না? কেন এই প্রশ্নটা শুধু আমাকেই করা হচ্ছে?”

যদিও ওয়াকিবহাল মহলের বক্তব্য, প্রিয়াঙ্কা যতই দলের সিদ্ধান্তের কথা বলুন, এবারে উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসের মুখ প্রিয়াঙ্কাই। তাঁর কাঁধেই রয়েছে দলের দায়িত্ব। দলের মুখ্যমন্ত্রীর মুখ হিসেবে আর কাউকে ভাবা কঠিন।

[আরও পড়ুন: ‘ফাঁপা বুলি নয়, ক্ষমতায় এলে ৪০ লক্ষ চাকরি’, উত্তরপ্রদেশে ঢালাও কর্মসংস্থানের আশ্বাস কংগ্রেসের]

প্রসঙ্গত, গতকাল ‘ভারতী বিধান’ নামের যুব ইস্তেহারে একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কংগ্রেস। এর মধ্যে প্রধান প্রতিশ্রুতি, ক্ষমতায় এলে ৪০ লক্ষ চাকরি। সেই সঙ্গে দেশের যুব সম্প্রদায়ের জন্য নতুন কর্মসংস্থান তৈরির আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে ইস্তেহারে। রাহুল গান্ধী (Rahul gandhi) বলেছেন, ‘‘উত্তরপ্রদেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা কর্মসংস্থান। ফলে যুব সম্প্রদায় অসন্তুষ্ট। তাঁদের সমস্যার কীভাবে সমাধান করা হবে সেব্যাপারে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি কিন্তু পরিষ্কার।’’

Advertisement
Next