shono
Advertisement
Priyanka Gandhi

আপনাকে দেখলে চাণক্যও লজ্জা পেতেন! সংসদে শাহকে শ্লেষ প্রিয়াঙ্কার, হাসলেন খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও

Amit Shah: অমিত শাহকে তাঁকে আধুনিক ভারতীয় রাজনীতির চাণক্য বলেন! তাঁর 'কূট' চাল বহু ক্ষেত্রে বিরোধীদের কুপোকাত করেছে।
Published By: Subhajit MandalPosted: 12:57 PM Apr 17, 2026Updated: 02:47 PM Apr 17, 2026

অনেকেই তাঁকে আধুনিক ভারতীয় রাজনীতির চাণক্য বলেন! তাঁর 'কূট' চাল বহু ক্ষেত্রে বিরোধীদের কুপোকাত করেছে। ভোট রাজনীতিতে তাঁর সাফল্যও ঈর্ষনীয়। বিরোধী শিবির, বিশেষ করে কংগ্রেস কোনওকালেই শাহকে চাণক্য বলে মানতে চায়নি। যদিও এবার খোদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী সংসদে দাঁড়িয়ে শাহের মস্তিষ্কের তারিফ করে গেলেন। ভরা লোকসভায় কংগ্রেস সাংসদ বললেন, "আপনার কূট চাল দেখলে চাণক্যও লজ্জা পাবেন।"

Advertisement

আসলে এই মুহূর্তে সংসদে মহিলা সংরক্ষণ আইন নিয়ে বিতর্ক চলছে। বৃহস্পতিবার লোকসভায় কংগ্রেসের তরফে মহিলা সংরক্ষণ আইনের সংশোধনী এবং প্রস্তাবিত আসন পুনর্বিন্যাস আইনের বিরোধিতার প্রথম সারির বক্তা ছিলেন গান্ধী পরিবারের কনিষ্ঠতম সদস্য। শুরুতেই তিনি বলেন, "এই মহিলা সংরক্ষণ বিলের আড়ালে যেভাবে আসন পুনর্বিন্যাস বিলটি চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে, তাতে গণতন্ত্র শেষ হয়ে যাবে।"

প্রিয়াঙ্কার (Priyanka Gandhi) ওই মন্তব্য শুনে হাসতে শুরু করে দেন অমিত শাহ নিজেই। যা দেখে প্রিয়াঙ্কা কটাক্ষের সুরে বলে ওঠেন, "গৃহমন্ত্রীজি হাসছেন। আজ যদি চাণক্য বেঁচে থাকতেন, আপনাকে দেখে তিনিও চমকে যেতেন। সব পরিকল্পনা নিজেই করে রেখেছেন। উনি হাসছেন মানেই আমার কথার সঙ্গে উনিও একমত।" এরপর সমস্বরে হাসতে শুরু করেন শাসক বিরোধী দুই শিবিরের সাংসদরাই।

আসলে ২০২৩ সালেই সংবিধান সংশোধন করে দেশের সব আইনসভায় মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণের আইন পাশ করায় মোদি সরকার। সেবার বিরোধীরাও ওই বিলটিকে সমর্থন করে। বিলে উল্লেখিত ছিল, মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। সেখানে আরও বলা হয়েছিল, জনগণনার পরে আসন পুনর্বিন্যাস করা হবে। তারপর ওই আসনের ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষিত রাখা হবে মহিলাদের জন্য। যেহেতু ২০১১ সালের পর আর কোনও জনগণনা হয়নি, তাই ওই আইন আর কার্যকর হয়নি। এখন নরেন্দ্র মোদি সরকার ফের সংবিধান সংশোধন করে নতুন জনগণনার ব্যাপারটি তুলে দিতে চাইছে। সরকার চাইছে ২০১১ সালের জনগণনার ভিত্তিতে অথবা বর্তমান আসনের আনুপাতিক হারে আসন পুনর্বিন্যাস করে দিতে। শুধু তাই নয়, এরপর কবে আসন পুনর্বিন্যাস হবে, সেটা কীসের ভিত্তিতে হবে সবটাকেই সরকারের হাতে করে নিতে চাইছে মোদি সরকার। নতুন আইন পাশ হলে আর সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন পড়বে না। তাতেই তীব্র আপত্তি বিরোধীদের। সেই নিয়ে বিতর্ক চলছে। বেনজিরভাবে বৃহস্পতিবার মধ্যরাত পর্যন্ত সংসদে বিতর্ক চলেছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement