পাঞ্জাবের মাটিতে ফের সক্রিয় খলিস্তানপন্থী নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ‘বাব্বার খালসা ইন্টারন্যাশনাল’! পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর মদতে নাশকতার ছক কষছিল এই জঙ্গি সংগঠন। যদিও পুলিশি সক্রিয়তায় ভেস্তে গিয়েছে সন্ত্রাসের ষড়যন্ত্র। ১.৩ কেজি আইইডি বিস্ফোরক-সহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে সন্দেহভাজন এক জঙ্গিকে।
পাঞ্জাব পুলিশের ডিজি গৌরব যাদব বলেন, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে জলন্ধরে গোপন অভিযানে নেমেছিল পুলিশ। সেই অভিযানেই গ্রেপ্তার হয় খলিস্তানপন্থী ওই জঙ্গি। অভিযুক্তের কাছ থেকে ১.৩ কেজি আইইডি বিস্ফোরক বোঝাই হাতে তৈরি ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে। বিস্ফোরণের তীব্রতা ও ক্ষয়ক্ষতি বাড়াতে তাতে প্রচুর পরিমাণে স্প্লিন্টার এবং বল বেয়ারিং ব্যবহার করা হয়েছিল। পুলিশের অনুমান, জনবহুল এলাকায় বড় কোনও বিস্ফোরণ ঘটিয়ে রাজ্যের শান্তি ও স্থিতি নষ্ট করাই ছিল সংগঠনটির।
অভিযুক্তের কাছ থেকে ১.৩ কেজি আইইডি বিস্ফোরক বোঝাই হাতে তৈরি ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে। বিস্ফোরণের তীব্রতা ও ক্ষয়ক্ষতি বাড়াতে তাতে প্রচুর পরিমাণে স্প্লিন্টার এবং বল বেয়ারিং ব্যবহার করা হয়েছিল।
ডিজি বলেন, দ্রুত পদক্ষেপ করায় বড়সড় জঙ্গি হামলার ঘটনা এড়ানো গিয়েছে। বহু মানুষের জীবন বাঁচানো গিয়েছে। পুলিশের দাবি অনুযায়ী, বিদেশি হ্যান্ডলারদের পাশাপাশি এর নেপথ্যে বড়সড় কোনও নেটওয়ার্কের যোগ রয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। জানা যাচ্ছে, খলিস্তানপন্থী নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ‘বাব্বার খালসা ইন্টারন্যাশনাল’-এর সদস্য। পাঞ্জাবের মাটিতে ফের জাল বেছাতে তৎপর হয়ে উঠেছে সংগঠনটি। প্রত্যক্ষভাবে সেই কাজে তাদের মদত দিচ্ছে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। আপাতত জলন্ধর পাতারা থানায় একাধিক ধারায় এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু হয়েছে।
উল্লেখ্য, গতকাল অসম পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের অভিযানে অসম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে পাকিস্তানের শাহজাদ ভাট্টি নেটওয়ার্কের (এসবিএন) তিন সন্দেহভাজন জঙ্গিকে। পুলিশের তরফে জানা গিয়েছে, পাক ভিত্তিক এই স্লিপার সেল ভারতে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, সদস্য নিয়োগ, অনলাইনে উগ্রবাদ ছড়ানো, ভারত-বিরোধী প্রচার, রসদ সরবরাহ, গুপ্তচরবৃত্তি, অবৈধভাবে অস্ত্র সংগ্রহের কাজে লিপ্ত ছিল। তদন্তকারীদের দাবি, এই চক্রটি এনক্রিপ্টেড যোগাযোগ চ্যানেলের মাধ্যমের কাজ করত। পাকিস্তানের আইএসআই-এর সঙ্গে সরাসরি যোগ ছিল এদের। পাকিস্তান-ভিত্তিক ভারত-বিরোধী শক্তিগুলোর কাছ থেকে নির্দেশ নিয়ে কাজ চালাত এই স্লিপার সেল।
