shono
Advertisement

Breaking News

Siddaramaiah

'নির্বাচন লড়তেও এখন টাকা দিতে হয়', 'দুর্নীতিগ্রস্ত' রাজনীতি থেকে সন্ন্যাস ঘোষণা সিদ্দারামাইয়ার

আর নির্বাচনী লড়াইয়ে নামবেন না কর্নাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া। সকলকে চমকে দিয়ে রবিবার এমনটাই ঘোষণা করলেন প্রবীণ এই কংগ্রেস নেতা।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 06:48 PM Jul 26, 2026Updated: 07:08 PM Jul 26, 2026

আর নির্বাচনী লড়াইয়ে নামবেন না কর্নাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া। সকলকে চমকে দিয়ে রবিবার এমনটাই ঘোষণা করলেন প্রবীণ এই কংগ্রেস নেতা। ভারতীয় রাজনীতির উপর বীতশ্রদ্ধ সিদ্দারামাইয়ার অভিযোগ, দেশের রাজনীতি দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। নির্বাচন লড়তে গেলেও প্রার্থীকে টাকা দিতে হয় জনগণকে। পাশাপাশি নিজের নির্বাচন না লড়ার সিদ্ধান্তের নেপথ্যে নিজের বয়সজনিত সমস্যার কথাও উল্লেখ করেন সিদ্দারামাইয়া।

Advertisement

দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর কয়েক সপ্তাহ আগে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে সিদ্দারামাইয়াকে সরিয়ে ডিকে শিবকুমারকে দায়িত্ব দিয়েছিল কংগ্রেস। আগামী ২০২৮ সালে ফের বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে এই রাজ্যে। তবে তার আগে সকলকে চমকে দিয়ে রবিবার সিদ্দা জানান, '২০২৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমি। আমার বয়স এখন ৭৯ বছর। আমাদের সরকারের মেয়াদ এখনও দেড় বছর বাকি অর্থাৎ ততদিনে আমার বয়স হবে ৮১-৮২ বছর। আমার স্বাস্থ্য এখন আর আগের মতো আর শক্তিশালী নয়। তাই আগের মতো উৎসাহ নিয়ে কাজ করাও এখন আর সম্ভব হচ্ছে না।'

সিদ্দারামাইয়া জানান, '২০২৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমি।'

এরসঙ্গেই সিদ্দারামাইয়া ভারতীয় রাজনীতির বেহাল অবস্থার কথা তুলে ধরে বলেন, '১৯৭৮ সালে তালুক বোর্ডের সদস্য হিসেবে আমার রাজনৈতিক জীবনের শুরু। ফলে গত ৫ দশকে জয়-পরাজয় দুটোই আমি দেখেছি। কখনও নীতির সঙ্গে আপস করিনি, বিবেকের বিরুদ্ধে কাজ করিনি। তবে এখন পরিস্থিতি ভিন্ন। এখন রাজনীতিবিদদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য জনগণকে টাকা দিতে হচ্ছে। রাজনীতি পুরোপুরি দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। সততার রাজনীতির আর কোনও জায়গা নেই। এই পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতে আর নির্বাচন না লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমি।' তবে রাজনীতি ছাড়লেও মানুষের সেবা থেকে নিজেকে বিচ্যুত করবেন না বলে জানিয়েছেন তিনি। বাকি জীবন জনগণের সেবা এবং তাঁদের স্বার্থে উৎসর্গ করার ঘোষণা করেন তিনি।

তবে সিদ্দারামাইয়ার তরফে এভাবে হঠাৎ রাজনীতিকে বিদায় জানানোর নেপথ্যে অভিমান কাজ করছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। দাবি করা হয় কর্নাটকে বিধানসভা নির্বাচন জয়ের পর আড়াই বছরের চুক্তিতে মুখ্যমন্ত্রী পদ ভাগ হয়েছিল সিদ্দারামাইয়া ও শিবকুমারের মধ্যে। তবে ৩ বছর পেরিয়ে গেলেও পদ ছাড়তে অনড় ছিলেন সিদ্দা। শেষে অভিমানী শিবকুমারের পাশে দাঁড়িয়ে কার্যত সিদ্দার পদ কেড়ে নেয় হাইকমান্ড। সেই ঘটনায় কয়েক সপ্তাহ পর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর রাজনীতি থেকে সন্ন্যাসের ঘোষণা সেদিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement