নিষিদ্ধ মুসলিম মৌলবাদী সংগঠন PFI, সন্ত্রাস দমনে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

02:04 PM Sep 28, 2022 |
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সন্ত্রাস দমনে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের। দেশজুড়ে এনআইএ অভিযানের পর মুসলিম মৌলবাদী সংগঠন ‘পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া’-কে (PFI) নিষিদ্ধ করল কেন্দ্র সরকার। সন্ত্রাসবিরোধী আইনে পিএফআই-র পাশাপাশি আরও আটটি সংগঠনের উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

Advertisement

সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, বুধবার ইউএপিএ আইনের অধীনে আগামী পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে পিএফআই (PFI) সংগঠনকে। শুধু পিএফআই-ই নয়, এরসঙ্গে যুক্ত একাধিক সংগঠন যেমন সিএফআই, অল ইন্ডিয়া ইমাম কাউন্সিল, রিহ্যাব ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন, ন্যাশনাল উইমেন্স ফ্রন্টকেও বেআইনি কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত সংগঠন বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এই সমস্ত সংগঠনকেই নিষিদ্ধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। বেআইনি কার্যকলাপ ও সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়ার জন্যই এই সংগঠনগুলিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

[আরও পড়ুন: আসল শিব সেনা কার? সুপ্রিম সিদ্ধান্তে বিরাট ধাক্কা খেল উদ্ধব শিবির]

Advertising
Advertising

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে প্রকাশিত বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া নামক উগ্র মৌলবাদী সংগঠনের সঙ্গে স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অফ ইন্ডিয়া (SIMI), বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠন জামাত-উল-মুজাহিদ্দিন (JMB) ও সিরিয়ার আইএসএআইএস (ISIS) সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের যোগ পাওয়া গিয়েছে। দেশবিরোধী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণের সাপেক্ষেই এই সংগঠনকে নিষিদ্ধ বলে ঘোষণা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে কর্ণাটক-সহ (Karnataka) দেশের অন্তত ১০টি রাজ্যে অভিযান চালায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনএআইএ ও এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। জঙ্গিদের অর্থ জোগানো-সহ একাধিক অভিযোগে মুসলিম মৌলবাদী সংগঠন ‘পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া’-র (পিএফএআই) ১০০ জন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেন তদন্তকারীরা। সন্ত্রাসদমনে শুরু হওয়া অভিযান এখনও থামেনি বলেই খবর। বেশ কয়েকটি রাজ্যে পিএফআইয়ের ঘাঁটিগুলিতে আরও তল্লাশি হবে বলে সূত্রের খবর।

সেই বিষয়ে সসম্প্রতি কর্ণাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগা জ্ঞানেন্দ্র বলেছিলেন, গোটা দেশে পিএফআই ও এসডিপিআই-কে নিষিদ্ধ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কর্ণাটক ছাড়াও দেশের অন্যান্য জায়গায় একাধিক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে সংগঠনটির।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে বেঙ্গালুরুর সাম্প্রদায়িক হিংসার নেপথ্যে পিএফআইয়ের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে উত্তরপ্রদেশে (Uttar Pradesh) হিংসায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। ২০২১ সালে অসমে একটি উচ্ছেদ অভিযানে পুলিশের বিরুদ্ধে দখলদারদের উসকে হামলা করানোয় হাত রয়েছে পিএফআই-র বলে দাবি।

[আরও পড়ুন: মধ্যপ্রদেশের জঙ্গলে চিতাদের ‘রক্ষাকর্তা’ এক কুকুর, শুরু জার্মান শেফার্ড ‘ইলু’র প্রশিক্ষণ]

Advertisement
Next