ডোনাল্ড ট্রাম্পের 'ভুয়ো' আশ্বাসেই আস্থা রাখল বাজার। মঙ্গলবার সকালে বাজার খুলতেই লাফিয়ে বাড়ল সেনসেক্স-নিফটি। উন্নতি হয়েছে টাকার দামেও। একইসঙ্গে অনেকখানি পড়েছে সোনা-রুপোর দাম। তবে সকালের এই উত্থান বেলা পর্যন্ত থাকবে কিনা, সংশয় রয়েছে। দিনের শেষে আবারও রক্তক্ষরণের সাক্ষী থাকতে পারে দালাল স্ট্রিট, রয়েছে সম্ভাবনা।
সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। আগামী ৫ দিন ইরানের কোনও জ্বালানি পরিকাঠামোয় হামলা করবে না আমেরিকা। এই মন্তব্যের পরেই যুদ্ধ থামার আশা উঁকি দিয়েছে আমজনতার মনে। যুদ্ধ থামলে জ্বালানি সংকট কমবে, বাড়বে টাকার দাম-আশায় ছিল ছিল ভারতীয় সংস্থাগুলি। সেই আস্থার প্রতিফলন ঘটেছে মঙ্গলবারের দালাল স্ট্রিটে। বাজার খুলতেই হাজার পয়েন্টেরও বেশি উঠে যায় সেনসেক্সের সূচক। উন্নতি হয় নিফটিতে। একলাফে ৩৪ পয়সা বেড়ে যায় টাকার দামও।
প্রায় চার সপ্তাহ ধরে চলছে যুদ্ধ। কবে এই সংঘাত থামবে, জানা নেই। ফলে ভারতীয় বাজারের দুর্দশাও পাল্লা দিয়ে চলতে থাকবে। এহেন পরিস্থিতিতে ভারতীয় বিনিয়োগকারীদের কপালে বাড়ছে চিন্তার ভাঁজ।
কিন্তু লগ্নিকারীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলতে পারে বাজারের পরবর্তী দশা। বাজার খোলার আধঘণ্টার মধ্যে প্রায় ৫০০ পয়েন্ট নেমে যায় সেনসেক্স। সূচক ঘোরাফেরা করতে শুরু করে ৭৩ হাজার ৩০০র ঘরে। অর্থাৎ প্রায় ৫০০ পয়েন্ট পড়েছে সেনসেক্স। অন্যদিকে মঙ্গলবার টাকার দামে বেশ খানিকটা উন্নতি হয়েছে। সোমবার ডলারের নিরিখে টাকার দাম গিয় দাঁড়ায় ৯৩.৯৭তে। কিন্তু মঙ্গলবার সেই দাম হয়েছে ৯৩.৫৮। ট্রাম্পের ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে কমেছে তেলের দামও। সবমিলিয়ে বাজার কিছুটা চাঙ্গা হয়েছে। কিন্তু সেই খুশি কতক্ষণ টিকবে, রয়েছে প্রশ্ন।
যুদ্ধ 'থামানো' নিয়ে ট্রাম্পের আশ্বাসকে ইতিমধ্যেই ভুয়ো বলে জানিয়ে দিয়েছে ইরান। সেকারণেই শেয়ার বাজারে কিছুটা পতন ঘটছে, মত বিশ্লেষকদের। যুদ্ধ না থামলে বিনিয়োগকারীদের দুর্দশা কমবে না, এমনটাই মনে করছেন তাঁরা। প্রায় চার সপ্তাহ ধরে চলছে যুদ্ধ। কবে এই সংঘাত থামবে, জানা নেই। ফলে ভারতীয় বাজারের দুর্দশাও পাল্লা দিয়ে চলতে থাকবে। এহেন পরিস্থিতিতে ভারতীয় বিনিয়োগকারীদের কপালে বাড়ছে চিন্তার ভাঁজ। সেনসেক্সের সূচক বাড়লেও বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরবে কবে, কবেই বা মুনাফা আসবে বিনিয়োগকারীদের ঝুলিতে, উত্তর অজানাই।
