তিনি দুই স্ত্রী, ১৮ সন্তানের পিতা। নতুন করে অবৈধ সম্পর্কে জড়ান সেই ব্যক্তি। শেষ পর্যন্ত প্রেমিকার হাতেই খুন হলেন উত্তরপ্রদেশের সুমেরপুর গ্রামের প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান। গ্রামের একটি খাল থেকে বস্তাবন্দি পচগলা দেহ উদ্ধার হল। এই ঘটনায় প্রেমিকা-সহ দুই অভিযুক্ত গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মৃত প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধানের নাম মুস্তাক গুলশন ওরফে মুন্না। গ্রামের সুমন দেবীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান তিনি। সুমনের স্বামী কর্মসূত্রে গ্রামে থাকেন না। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তাঁর সঙ্গে ঘনিষ্টতা বাড়ান মুন্না। অভিযোগ, সম্পর্কে জড়াতে তরুণীকে জোর করেন তিনি। এক সময় দেখা করার জন্য ব্ল্যাকমেল করতেও শুরু করেন। এই অবস্থায় সব কথা নিজের ভাইকে খুলে বলেন সুমন। এর পরই তাঁরা দু'জনে মিলে মুন্নাকে খুনের পরিকল্পনা করেন।
পরিকল্পনা মতো গত ১৮ মার্চ মুন্নাকে তাঁর বাপের বাড়িতে আমন্ত্রণ জানান সুমন। মুন্না ঘরে প্রবেশ করামাত্র সুমনের ভাই এবং তাঁর সহযোগী লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে গ্রামের প্রাক্তন প্রধানকে হত্যা করেন। এরপর একটি বস্তায় মুন্নার মৃতদেহ ভরে খালের জলে ফেলে দেন তাঁরা। সেদিন রাতেও বাড়ি না ফেরায় নিখোঁজ ডাইরি করে মুন্নার পরিবার। তদন্তে নেমে পুলিশ মৃতের বাইক উদ্ধার করে। এর পর ফোনের টাওয়ার লোকেশন দেখে সুমন এবং তাঁর ভাইকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। এতেই গোটা ঘটনা সামনে চলে আসে। ২২ মার্চ খাল থেকে মুন্নার পচাগলা দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয়েছে অভিযুক্তদের।
