এসআইআর পর্বে খসড়া ভোটার তালিকায় বহু মতুয়া, উদ্বাস্তুর নাম বাদ গিয়েছিল। যার জেরে প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন বঙ্গ বিজেপির নেতারা। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর আরও বেড়েছে মতুয়াদের উদ্বেগ। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার কথা, তাতেও অনেক মতুয়ার নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সেই আবহে বাংলার জন্য বিশেষ কমিটি গড়ল অমিত শাহের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।
১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইন এবং ২০০৯ সালের নাগরিকত্ব বিধি মেনেই এই কমিটি গড়েছে শাহের মন্ত্রক। কমিটির মাথায় থাকবেন পশ্চিমবঙ্গের ডিরেক্টরেট অব সেনসাস অপারেশন্স-এর ডেপুটি রেজিস্ট্রার জেনারেল। এ ছাড়াও সদস্য হিসাবে থাকবেন সাবসিডিয়ারি ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো-র এক আধিকারিক (ডেপুটি সেক্রেটারি পদমর্যাদার), সংশ্লিষ্ট ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারের মনোনীত এক কর্তা (আন্ডার সেক্রেটারি পদমর্যাদার), পশ্চিমবঙ্গের ন্যাশনাল ইনফরমেটিক্স সেন্টারের স্টেট ইনফরমেটিক্স অফিসার মনোনীত এক কর্তা (আন্ডার সেক্রেটারি পদমর্যাদার) এবং পশ্চিমবঙ্গের পোস্ট মাস্টার জেনারেল, অথবা তাঁর মনোনীত একজন।
১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইন এবং ২০০৯ সালের নাগরিকত্ব বিধি মেনেই এই কমিটি গড়েছে শাহের মন্ত্রক। কমিটির মাথায় থাকবেন পশ্চিমবঙ্গের ডিরেক্টরেট অব সেনসাস অপারেশন্স-এর ডেপুটি রেজিস্ট্রার জেনারেল। এ ছাড়াও সদস্য হিসাবে থাকবেন সাবসিডিয়ারি ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো-র এক আধিকারিক (ডেপুটি সেক্রেটারি পদমর্যাদার), সংশ্লিষ্ট ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারের মনোনীত এক কর্তা (আন্ডার সেক্রেটারি পদমর্যাদার), পশ্চিমবঙ্গের ন্যাশনাল ইনফরমেটিক্স সেন্টারের স্টেট ইনফরমেটিক্স অফিসার মনোনীত এক কর্তা (আন্ডার সেক্রেটারি পদমর্যাদার) এবং পশ্চিমবঙ্গের পোস্ট মাস্টার জেনারেল, অথবা তাঁর মনোনীত একজন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছে, কমিটিতে আমন্ত্রিত সদস্য হিসাবে থাকতে পারেন রাজ্য সরকারের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি (হোম) কিংবা অতিরিক্ত মুখ্য সচিব (হোম)-এর একজন প্রতিনিধি এবং রেলের ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজারের একজন প্রতিনিধি। এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, এই কমিটি পশ্চিমবঙ্গের জন্যই। এরাজ্য থেকেই নাগরিকত্বের বেশি আবেদন জমা পড়ছে। তাই বিশেষ কমিটি গঠনের পরিকল্পনা। এই কমিটি পরেও কাজ করবে।
