৬০ লক্ষ ভোটারদের নাম 'বিচারাধীন'। তাঁদের মধ্যে ১০ লক্ষের নিষ্পত্তি করা হয়েছে। বাকি ভোটারদের নথি যাচাইয়ের কাজ করছেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। কিন্তু যাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়বে, কী হবে তাঁদের? কোথায় আবেদন করবেন তাঁরা? আজ, মঙ্গলবার মূল এসআইআর মামলার শুনানিতে নতুন ট্রাইব্যুনাল তৈরির কথা জানিয়েছে, সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। সেখানে আবেদন জানিয়ে মামলা হতে পারে। ওই ট্রাইব্যুনাল শুধুমাত্র নাম বাদ যাওয়া ভোটারদের মামলা শুনবে।
কী জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট? বিচারপতি সূর্য কান্ত, জয়মাল্য বাগচি, বিচারপতি আর মহাদেবনের বেঞ্চ জানায়, একটি ট্রাইবুনাল গঠন করা যেতে পারে। একজন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ও ২ জন প্রাক্তন বিচারপতিদের নিয়ে ট্রাইব্যুনাল গঠন করা যেতে পারে! কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি তা ঠিক করবেন। যদি প্রাক্তন বিচারপতিরা দায়িত্ব নিতে রাজি থাকেন তাহলে, নির্বাচন কমিশন একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করবে। তারপর 'বিচারাধীন' ভোটারদের মধ্যে যাঁদের নাম বাদ যাবে, সেই সংক্রান্ত মামলা শুনবে এই ট্রাইব্যুনাল।
এতএব, এসআইআর কাজে যুক্ত বিচারকরা যাঁদের নাম বাতিল করে দেবেন, সেই সংক্রান্ত মামলা শুনবে তিন প্রাক্তন বিচারপতি (তাঁদের মধ্যে একজন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি)। কবে থেকে এই ট্রাইবুনাল কাজ করবে? সেই বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি। তবে বাদ পড়া ভোটারদের কাছে রাস্তা খোলা থাকছে।
এদিন সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ নিয়ে প্রশ্ন করেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী প্রশ্ন তুলে জানান, "যে গতিতে কাজ চলছে,তাতে ভোটার আগে কাজ শেষ হবে না বলে মনে হচ্ছে।" তাতে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি নির্বাচন কমিশনের কাছে সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশের সুপারিশ করবেন। এছাড়াও এদিনের শুনানিতে দেশের শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, এসআইআরের কাজের সঙ্গে যুক্ত বিচারকদের কাজ নিয়ে কোনও প্রশ্ন তোলা যাবে না।
