সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গর্ভপাতের একটি মামলায় সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) ভিন্ন বেঞ্চের রায় পুনর্বিবেচনার নির্দেশ দিল প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের (DY Chandrachud) বেঞ্চ। এইসঙ্গে আদালতের পর্যবেক্ষণ, গর্ভপাতের ক্ষেত্রে অনাগত শিশু এবং মায়ের ইচ্ছের মধ্যে ভারাসাম্য থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
মামলাকারী ২৬ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা মহিলার আগে দুই সন্তান রয়েছে। একাধিক অসুস্থতা রয়েছে তাঁর। আদালতকে জানান, তাঁর পক্ষে নতুন করে সন্তানপালন সম্ভব নয়। চিকিৎসকদের বক্তব্য, মাতৃত্বকালীন অবসাদে ভুগছেন মহিলা। সেই সূত্রে গর্ভপাতের আবেদন জানান তিনি। সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতিদের ভিন্ন বেঞ্চ সেই অনুমতি মিলেছিল গতকাল। মঙ্গলবার ওই নির্দেশ পুনর্বিবেচনার সিদ্ধান্ত নিল প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ।
[আরও পড়ুন: সুপ্রিম কোর্টে অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার! কাবেরীর পর কৃষ্ণা নদীর জলবণ্টন ঘিরেও বিবাদ চরমে]
AIIMS-এর মেডিক্যাল বোর্ডের বক্তব্য, গর্ভে শিশুর বিকাশ স্বাভাবিক রয়েছে। তার জীবিত থাকার সম্ভাবনা প্রবল। এই অবস্থায় ২৬ সপ্তাহের অবাঞ্ছিত গর্ভাবস্থার অবসানের আগে ভ্রূণহত্যা (ভ্রূণের হৃদপিণ্ড বন্ধ করা) করা হবে কি না, এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট নির্দেশ প্রয়োজন। নির্দেশ পেলে তবেই সেই কাজ করবেন চিকিৎসকরা।
[আরও পড়ুন: উসকানিমূলক ভাষণ! সাহিত্যিক অরুন্ধতী রায়ের বিরুদ্ধে মামলার অনুমতি দিল্লির উপরাজ্যপালের]
এই বিষয়ে প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চে শুনানির সময় অতিরিক্তি সলিসলিটার জেনারেল ঐশ্বর্য ভাটি বলেন, AIIMS-এর নতুন রিপোর্টে যে কথা বলা হয়েছে তা আদালতের আগের রায়ের সময় জানানো হয়নি। এখনকার পরিস্থিতি অনুযায়ী এই গর্ভপাত শিশুহত্যার সমান হতে চলেছে। এর পরেই মামলার গুরুত্ব বিচার করে আগের রায় পুর্বিবেচনার নির্দেশ দিয়েছে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। পরবর্তী শুনানি হবে আগামিকাল।
