টালবাহানা, দর কষাকষিতে ইতি। তামিলানাড়ুতে অবশেষে আসনরফা চূড়ান্ত করল ইন্ডিয়া জোট। তামিলভূমে শাসকদল ডিএমকে প্রত্যাশিতভাবেই সবচেয়ে বেশি আসনে লড়বে। তবে কংগ্রেসের জন্য যে আসন ছাড়া হয়েছে, সেটা এনডিএ জোটে বিজেপির প্রাপ্য আসনের চেয়ে বেশি।
এতদিন দেশের অন্য প্রান্তে ইন্ডিয়া জোটে ছোটখাট বিবাদ-অশান্তির পরিস্থিতি তৈরি হলেও তামিলনাড়ুতে কংগ্রেস-ডিএমকে জোট গত কয়েক বছর মসৃণভাবেই এগিয়েছে। মাঝখানে কিছু কংগ্রেস নেতার আলটপকা মন্তব্যে সেই মসৃণতা ধাক্কা খেয়েছিল। কিন্তু ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের আগে কংগ্রেস হাইকম্যান্ড ডিএমকের সঙ্গে জোট বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই নিয়ে দীর্ঘ আলাপ আলোচনার পর অবশেষে আসনরফা ঘোষণা করল ইন্ডিয়া জোট।
ডিএমকের তরফে জানানো হয়েছে, এবারের বিধানসভায় ২৩৪ আসনের মধ্যে ১৬৪ আসনে তারাই লড়বে। আসলে ডিএমকে চাইছে কোনও শরিকের সাহায্য ছাড়া একাই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে। শরিকদের জন্য ৭০ আসন ছাড়া হয়েছে। এই ৭০ আসনের মধ্যে কংগ্রেস পাবে ২৮ আসন। এর বাইরে ডিএমডিকে-র জন্য ১০ আসন, ভিসিকের জন্য ৮ আসন, সিপিআই ও সিপিএমের জন্য পাঁচটি করে আসন এবং এমডিএমকে-কে ৩টি আসন ছাড়া হয়েছে। ডিএমকে আশাবাদী, সে রাজ্যে তাঁরাই ক্ষমতায় ফিরবে।
ডিএমকের তরফে জানানো হয়েছে, এবারের বিধানসভায় ২৩৪ আসনের মধ্যে ১৬৪ আসনে তারাই লড়বে। আসলে ডিএমকে চাইছে কোনও শরিকের সাহায্য ছাড়া একাই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে। শরিকদের জন্য ৭০ আসন ছাড়া হয়েছে। এই ৭০ আসনের মধ্যে কংগ্রেস পাবে ২৮ আসন।
তাৎপর্যপূর্ণভাবে, কংগ্রেস যেখানে ডিএমকে জোটে ২৮টি আসনে লড়ার সুযোগ পাচ্ছে, সেখানে এনডিএ জোটে বিজেপি লড়ছে মাত্র ২৭ আসনে। এনডিএতে ঠিক হয়েছে, AIADMK নিজেই ১৭০-১৮০ আসনে লড়বে। বিজেপিকে ২৭টি আসন, পিএমকে-কে ১৭টি আসন এবং এএমএমকে-কে ৯টি আসন বরাদ্দ করা হতে পারে। অর্থাৎ যে রাজ্যে একসময় প্রধান বিরোধী দল হিসাবে নিজেদের তুলে ধরার চেষ্টা করছিল গেরুয়া শিবির, সেই রাজ্যেই জোটে অংশীদারিত্বের নিরিখে প্রান্তিক শক্তি কংগ্রেসের থেকেও পিছিয়ে গেরুয়া শিবির।
