টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিস (টিসিএস) বিতর্কে বিস্ফোরক দাবি করলেন এক সাক্ষী। জানালেন, সংস্থার নাসিক অফিসে তাঁদের নাকি বলা হত, হিন্দু মেয়েদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে তারপর তাঁদের বিয়ে করে নিতে। এবং অবশ্যই ধর্মান্তরণ করানো হত বলেও দাবি তাঁর। পুলিশ এই মুহূর্তে জমা পড়া ন'টি অভিযোগ খতিয়ে দেখছে। ইতিমধ্যেই সংস্থার সাত কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ছ'জন পুরুষ ও একজন মহিলা। এদিকে আরেক মহিলা কর্মী এখনও পলাতক। পুলিশ তাঁর সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছে।
এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে সংস্থারই এক চুক্তিভিত্তিক কর্মী বলেছেন, ''২০২১ সাল থেকে এইসব চলছে। ওরা বলত, যাও হিন্দু মেয়েদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে নাও। তারপর বিয়ে করে ফেলো। বলত, ওদের ধর্মান্তরণ ঘটাও। এমনকী এই জন্য টাকাও অফার করত।''
এদিকে ইতিমধ্যেই পুলিশ একটি সিট গঠন করে তদন্ত শুরু করেছে। আটজন মহিলা কর্মীর অভিযোগ, সিনিয়র কর্মীরা তাঁদের যৌন ও মানসিক হেনস্তা করতেন। অথচ মানবসম্পদ বিভাগের (এইচআর) কাছে অভিযোগ জানিয়েও লাভ হত না। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে এবছরের মার্চ পর্যন্ত এমন ঘটনা ঘটেই চলেছে বলে অভিযোগ।
ইতিমধ্যেই সংস্থার সাত কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ছ'জন পুরুষ ও একজন মহিলা। এদিকে আরেক মহিলা কর্মী এখনও পলাতক। পুলিশ তাঁর সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছে।
প্রসঙ্গত, মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা গিরিশ মহাজনের দাবি, “কোম্পানির চার-পাঁচজন মুসলিম কর্মী এবং কিছু কর্মকর্তা চাকরি, ভালো বেতনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মেয়েদের প্রলুব্ধ করেছিল।” তিনি আরও দাবি করেন, মহিলাদের “নমাজ পড়তে ও রোজা রাখতে বাধ্য করা হয়েছিল।” গোট ঘটনায় মুখ পুড়েছে ভারত বিখ্যাত তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থার। এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, ‘জিরো-টলারেন্স নীতি’ মেনে চলে সংস্থাটি। অভিযুক্ত কর্মীদের সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। যদিও প্রশ্ন উঠছে, নির্যাতিতারা অভিযোগ জানালেও কেন মানবসম্পদ (এইচআর) বিভাগ তা উপেক্ষা করেছিল।
