'জো বলে সো নিহাল, সত স্রি অকাল' গর্জন উঠল পশ্চিম লন্ডনের হাউনস্লো শহরে। ১৬ বছরের এক কিশোরীকে পাচার ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে পথে নামলেন শিখ সম্প্রদায়ের ২০০ মানুষ। অভিযোগ, বছর তিরিশের এক ব্যক্তি নিজের ফ্ল্যাটে বন্দি করে রেখেছিলেন ওই নাবালিকাকে। তাকে ধর্ষণ করে আরও ছয় ব্যক্তি। নেপথ্যে একটি পাকিস্তানি পাচারচক্র। শিখদের প্রতিবাদের পরে মূল অভিযুক্ত গ্রেপ্তার হয়েছে। পুলিশি পাহারায় মুক্তি পেয়েছে কিশোরী।
সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে শিখ প্রতিবাদ এবং নাবালিকার মুক্তি পাওয়ার ঘটনা। সেখানে দেখা গিয়েছে, অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাচ্ছে। শিখ প্রেস অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, নাবালিকার যখন ১৩ বছর বয়স, তখন থেকে সম্পর্ক গড়ে তোলে অভিযুক্ত। এর পর ষোলো বছর হওয়ার পর প্রেমের ফাঁদে ফেলে তাকে বাড়ি ছাড়া করা হয়। এ যাত্রায় স্থানীয় শিখ সম্প্রদায়ের মানুষের প্রতিবাদে মুক্তি পেয়েছে কিশোরী।
সাধারণত পাকিস্তানি গ্যাংগুলি ভিন্ন ধর্মের কিশোরীদের ফুঁসলিয়ে বাড়িছাড়া করে।
অভিযোগ, ব্রিটেনে 'পাকিস্তানি গ্রুমিং গ্যাং'গুলি (নারী ও শিশু পাচারচক্র) কয়েক দশক ধরে শিশু যৌন নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত। এরা সাধারণত ১১-১৬ বছরের নাবালিকাদের টার্গেট করে থাকে। বন্ধু সেজে, প্রেমের ফাঁদে ফেলে, সস্তা উপহার দিয়ে মন জেতে। সাধারণত ভিন্ন ধর্মের কিশোরীদের ফুঁসলিয়ে বাড়িছাড়া করে। একবার বাড়ি থেকে বেড়িয়ে এলে শুরু হয় হুমকি, ব্ল্যাকমেল। বিপুল পরিমাণ টাকার বিনিময়ে তাদের পাঁচার করা হয়।
গত বছরে এই বিষয়ে মুখ খোলেন খোদ ধনকুবের শিল্পপতি এলন মাস্ক। পাকিস্তানি ধর্ষক গ্যাংয়ের বিরুদ্ধ ব্যবস্থা নেওয়ার স্বপক্ষে দাঁড়ান তিনি। মাস্ক টুইট করেন, "সেইসব দরিদ্র ছোট মেয়েদের জন্য, যারা এত ভয়াবহভাবে নির্যাতিত হয়েছিল যে অনেকে মারা গিয়েছে, ওদের (প্রশাসনের) সঠিক কাজটা করা উচিত।"
