shono
Advertisement

Breaking News

Tej Pratap Yadav

পুলিশের গাড়িতে চেপে 'নমিনেশন', আদর্শ আচরণবিধি ভঙ্গের মামলা লালুপুত্র তেজের বিরুদ্ধে

সার্কেল অফিসার তেজপ্রতাপের বিরুদ্ধে ভিডিও প্রমাণ-সহ অভিযোগ জানিয়েছেন।
Published By: Anustup Roy BarmanPosted: 11:53 AM Oct 20, 2025Updated: 11:54 AM Oct 20, 2025

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পরিবার থেকে ত্যাজ্য হয়েছেন। বহিষ্কৃত হয়েছেন দল থেকেও। নির্বাচনের প্রাক্কালে ফের চাপে যাদব পরিবারের বিদ্রোহী সন্তান তেজপ্রতাপ। এবার নির্বাচনের আদর্শ আচরণবিধি ভেঙে পুলিশের নজরে লালুপুত্র।

Advertisement

পরিবারের 'বঞ্চনা'র বিরুদ্ধে প্রত্যাঘাত করতে বিহার নির্বাচনের আগে আরজেডির চাপ বাড়িয়ে নয়া দল ঘোষণা করেন লালুপ্রসাদ যাদবের বড় ছেলে তেজপ্রতাপ। জনশক্তি জনতা দলের নেতা তেজপ্রতাপের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, বিহারের বৈশালী জেলার মহুয়া কেন্দ্রে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় আদর্শ আচরণবিধি ভেঙেছেন তিনি।

জেলা পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মহুয়ার সার্কেল অফিসার তেজপ্রতাপের বিরুদ্ধে ভিডিও প্রমাণ-সহ অভিযোগ জানিয়েছেন। তাঁর অভিযোগে বলা হয়েছে, মিছিল করে মনোনয়ন জমা দিতে যান তেজ প্রতাপ। সেই মিছিলে একটি এসইউভি গাড়িতে ছিলে তিনি নিজে। সেই গাড়িতে পুলিশের লোগো ছিল বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। আদর্শ আচরণ বিধি অনুযায়ী পুলিশের লোগো লাগানো গাড়ি ব্যবহার করার কথা নয় তেজ প্রতাপের। সেই কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছে পুলিশ।

গত জুলাই মাসেই তেজ জানিয়েছিলেন আসন্ন বিহার নির্বাচনে বৈশালী জেলার মহুয়া কেন্দ্র থেকে নির্বাচনে লড়বেন তিনি। পরিবারের সঙ্গে তেজপ্রতাপের সংঘাত দীর্ঘদিনের। বিয়ের পর সেই দ্বন্দ্ব আরও গুরুতর আকার নেয়। স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগের পাশাপাশি দল বিরোধী নানা অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। পরিস্থিতি গুরুতর আকার নেয় অন্য এক মহিলার সঙ্গে তেজপ্রতাপের ছবি ঘিরে। এরপরই বড় ছেলেকে ত্যাজ্যপুত্র করেন লালুপ্রসাদ। শুধু তাই নয়, ৬ বছরের জন্য দল থেকেও বহিষ্কার করা হয় তাঁকে। সব হারালেও তেজ অবশ্য কমেনি তেজপ্রতাপের।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
  • আদর্শ আচরণ বিধি ভেঙে বিপাকে লালুপুত্র।
  • মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় আদর্শ আচরণ বিধি ভেঙেছেন তিনি।
  • পুলিশের লোগো লাগানো গাড়িতে মনোনয়ন জমা দিতে যান বলে অভিযোগ
Advertisement