ভারতে সমকামী সম্পর্ক বৈধ হলেও সমাজ বিষয়টাকে এখনও সরল দৃষ্টিতে দেখতে পারে না। কিন্তু মিয়া-বিবি রাজি তো ক্যায়া করেগা কাজি! তাই সমাজ, লোকলজ্জা-এসবের পরোয়া না করেই প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন দুই মহিলা কনস্টেবল। দীর্ঘদিন লিভ-ইনের পর বিয়ের সিদ্ধান্তও নেন তাঁরা। কিন্তু শেষ মুহূর্তে বদলে গেল সবটা। বাতিল ছক ভাঙা সেই বিয়ে! কিন্তু কেন? নেপথ্যে পরিবারের বাধা নাকি অন্য কোনও কারণ? উত্তর অজানা।
মহারাষ্ট্রের পুনের পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড় পুলিশ কমিশনারেটে একটি থানায় কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন দুই তরুণী। কাজ করতে করতেই মন দেওয়া নেওয়া। প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন দুই তরুণী। সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন একসঙ্গে জীবন কাটানোর। সমাজ কী বলবে তা না ভেবেই লিভ ইন শুরু করেন তাঁরা। এরপর একজনের লিঙ্গ পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। এক পর্যায়ে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। কথা ছিল, ৩০ আগস্ট বৈদিক নিয়ম মেনে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবেন তাঁরা। ছুটির আবেদনও করা হয়ে গিয়েছিল। পরিবার দুই রমণীর প্রেমের গল্প জানার পরই সমস্যার শুরু।
পরিবার বিষয়টা একেবারেই ভালোভাবে নেয়নি। থানায় যোগাযোগ করেন তাঁরা। সেখানে তাঁদের থানায় এনিয়ে কথা না বলার পরামর্শ দেওয়া হয়। এরপর পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড় পুলিশ কমিশনারেটের (পিসিপিসি) এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দ্বারস্থ হয় কনস্টেবলদের পরিবার। সেখানে তাঁদের পরিষ্কার বলা হয়, এভাবে প্রাপ্ত বয়স্কদের বিয়েতে বাধা দেওয়া যায় না। এসবের মাঝেই জানা গিয়েছে, বাতিল হয়ে গিয়েছে দুই তরুণীর বিয়ে। কিন্তু কেন? তা অজানা। লিঙ্গ পরিবর্তন সংক্রান্ত কোনও কারণ নাকি স্রেফ পরিবারের আপত্তিতেই বিয়ে বাতিল তা এখনও জানা যায়নি।
