shono
Advertisement
India-US Trade Deal

এপস্টেইন বিতর্ক ও আদানি মামলায় 'চাপে' মোদি, তাই তড়িঘড়ি বাণিজ্যচুক্তিতে সই! দাবি রাহুলের

ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ভারত-আমেরিকার মধ্যে বহু দিন ধরে ঝুলে থাকা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তিতে দু’দেশ সম্মত হয়েছে। তাঁর দ্বিতীয় দাবি, ভারতের চড়া শুল্কের জবাবে চাপানো তাঁর চড়া হারের ২৫ শতাংশ শুল্ক তিনি কমিয়ে ১৮ শতাংশে নামিয়ে এনেছেন।
Published By: Saurav NandiPosted: 04:12 PM Feb 03, 2026Updated: 04:31 PM Feb 03, 2026

চাপে পড়েই আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তিতে সই করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এপস্টেইন বিতর্ক এবং মার্কিন আদালতে গৌতম আদানির বিরুদ্ধে মামলা নিয়ে প্রবল চাপের মুখে পড়েই বাণিজ্যচুক্তিতে তিনি সম্মত হয়েছেন বলে দাবি করলেন কংগ্রেস নেতা তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী।

Advertisement

যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইন সংক্রান্ত আমেরিকান আইন দপ্তরের ফাইলে মোদির নাম থাকায় বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে কংগ্রেস। যদিও বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, সমস্ত অভিযোগ-দাবিই ভিত্তিহীন এবং অবমাননাকর। কিন্তু তার পরেও কংগ্রেসের তোপ থামেনি। সেই ঘটনার সঙ্গে ভারত-মার্কিন বাণিজ্যচুক্তির গভীর যোগ রয়েছে বলেও দাবি করলেন রাহুল। শুধু তা-ই নয়, আদানির বিরুদ্ধে নিউ ইয়র্কের আদালতে যে ঘুষকাণ্ডের মামলা চলছে, তা-ও সম্পর্কিত বলে দাবি করলেন কংগ্রেস সাংসদ।

মঙ্গলবার সংসদের বাইরে রাহুলের দাবি, প্রধানমন্ত্রীকে আপস করতে হয়েছে! তাঁর কথায়, "আমেরিকায় আদানিজির বিরুদ্ধে মামলা চলছে। এই মামলা আদতে মোদিজির বিরুদ্ধেও। তা ছাড়া এপস্টেইল ফাইলসে আরও অনেক কিছু আছে, যা এখনও প্রকাশ করেনি আমেরিকা। এটা নিয়েও চাপ রয়েছে। এই দু'টিই হল চাপের কারণ। দেশবাসীকে এটা বুঝতে হবে।" লোকসভার বিরোধী দলনেতার সংযোজন, "মোদিজি ফ্যাসাদে পড়েছেন। গত কয়েক মাস ধরে বাণিজ্যচুক্তি আটকে ছিল। গত রাতে তাতে সই করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী। ওঁর উপর ভীষণ চাপ রয়েছে। নরেন্দ্র মোদির ভাবমূর্তি নষ্ট হতে পারে।"

প্রসঙ্গত, সোমবার গভীর রাতে ভারত-মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাতে প্রথমে ভারতে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত সার্জিয়ো গোর জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে টেলিফোনে কথা হয়েছে। তার কিছু ক্ষণের মধ্যেই সমাজমাধ্যমে ট্রাম্প ঘোষণা করেন: ভারত-আমেরিকার মধ্যে বহু দিন ধরে ঝুলে থাকা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তিতে দু’দেশ সম্মত হয়েছে। তাঁর দ্বিতীয় দাবি, ভারতের চড়া শুল্কের জবাবে চাপানো তাঁর চড়া হারের ২৫ শতাংশ শুল্ক তিনি কমিয়ে ১৮ শতাংশে নামিয়ে এনেছেন।

ট্রাম্পের এই বিবৃতির পরে প্রধানমন্ত্রী মোদিও এক্স হ্যান্ডলে জানান, তাঁর ‘প্রিয় বন্ধু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প’-এর সঙ্গে কথা হয়েছে। ট্রাম্পকে ‘বিরাট ধন্যবাদ’ জানিয়েছেন শুল্কের হার ২৫ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ করার জন্য। কিন্তু এই বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে নানা ধোঁয়াশা রয়ে গিয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, বাণিজ্যচুক্তিতে কারা স্বাক্ষর করেছেন? প্রধানমন্ত্রী নিজে না কি অন্য কেউ? যে যে বিষয়গুলি নিয়ে বিবাদ ছিল, সেগুলি নিয়ে কী ধরনের সমঝোতা হল, সেই প্রশ্নও তুলছেন অনেকে। এই বাণিজ্যচুক্তির সঙ্গে এপস্টেইন বিতর্ক এবং আদানি মামলার সম্পর্ক রয়েছে বলে এবার দাবি করলেন রাহুল।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement