মোদির রাজ্যের একাধিক স্কুল, আদালতে বোমাতঙ্কের হুমকি মেল পাঠানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার বাংলার যুবক। মঙ্গলবার আহমেদাবাদের অপরাধদমন ও সাইবার অপরাধ দমন শাখার যৌথ অভিযানে তাকে এরাজ্য থেকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ট্রানজিট রিমান্ডে তাঁকে গুজরাট নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে খবর। সম্প্রতি জেলায় জেলায় আদালত, পোস্ট অফিসে ব্যাপক বোমাতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল হুমকি মেলের মাধ্যমে, তার নেপথ্যেও কি এই যুবক? তা জানতে চেয়ে তদন্তকারীরা ধৃত ওই যুবককে নিজেদের হেফাজতে নিতে মরিয়া। সূত্রের খবর, তাকে এখানকার আদালতে পেশ করার পর ট্রানজিট রিমান্ড চাইবে গুজরাট পুলিশ।
ঘটনার সূত্রপাত সেই জানুয়ারি মাসে। ২৩ জানুয়ারি গুজরাটের অন্তত ১৭টি স্কুল বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ইমেল এসেছিল। তাতে ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি হয়। তড়িঘড়ি নিরাপত্তা বাড়িয়ে দেওয়া হয় কয়েকগুণ। এরপর ফেব্রুয়ারিতে পরপর বেশ কয়েকদিন একইভাবে গুজরাটের বিভিন্ন আদালতে হুমকি মেলে বোমাতঙ্ক ছড়ায়। যৌথ তদন্তে নামে আহমেদাবাদের অপরাধদমন শাখা এবং সাইবার অপরাধ শাখা। খুঁজতে খুঁজতে মঙ্গলবার এরাজ্য থেকেই গ্রেপ্তার করা হয় বাংলার যুবককে। ধৃতের নাম সৌরভ বিশ্বাস। বিভিন্ন আদালত, স্কুলে হুমকি মেল পাঠানোর অভিযোগ তার বিরুদ্ধে। ডিটেকশন অফ ক্রাইম ব্রাঞ্চের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, ''এই কাজের নেপথ্যে তার কী উদ্দেশ্য ছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। মনে করা হচ্ছে, বিভিন্ন নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে প্রযুক্তিগত ফাঁকফোকর খুঁজে তার মাধ্যমে নিজের কাজ হাসিল করতে চেয়েছিল ধৃত যুবক।''
২৩ জানুয়ারি গুজরাটের অন্তত ১৭টি স্কুল বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ইমেল এসেছিল। তাতে ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি হয়। তড়িঘড়ি নিরাপত্তা বাড়িয়ে দেওয়া হয় কয়েকগুণ। এরপর ফেব্রুয়ারিতে পরপর বেশ কয়েকদিন একইভাবে গুজরাটের বিভিন্ন আদালতে হুমকি মেলে বোমাতঙ্ক ছড়ায়। যৌথ তদন্তে নামে আহমেদাবাদের অপরাধদমন শাখা এবং সাইবার অপরাধ শাখা। খুঁজতে খুঁজতে মঙ্গলবার এরাজ্য থেকেই গ্রেপ্তার করা হয় সৌরভ বিশ্বাস নামে ওই যুবককে।
শুধু গুজরাটেই নয়, দিল্লি এবং অতি সম্প্রতি এরাজ্যের বিভিন্ন আদালত, পোস্ট অফিসেও একইভাবে বোমাতঙ্ক ছড়িয়েছিল। পরে তা ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়েছে। কে বা কারা এমনটা করেছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এখন আহমেদাবাদ থেকে সৌরভ বিশ্বাস নামে বাংলার যুবকের গ্রেপ্তারিতে তদন্তকারীরা খুঁজতে মরিয়া, বাংলার বিভিন্ন জায়গায় এধরনের হুমকি মেল কি এই সৌরভেরই কাজ? কী কারণেই বা তার নিশানায় সর্বদা স্কুল কিংবা আদালত, সেই প্রশ্নের জবাবও খুঁজছেন তদন্তকারীরা।
