এবার নবমবার বাজেট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। এদিন কী শাড়ি পরবেন তিনি, সেদিকে নজর ছিল সকলের। দেখা গেল, এবছর তাঁর পরনে বেগুনি রঙের হাতে বোনা কাঞ্জিভরম। ভিতরে রয়েছে সোনালি জরির কাজ। চলতি বছরেই তামিলনাড়ুতে নির্বাচন। মনে করা হচ্ছে, সম্ভবত সে কারণেই কাঞ্জিভরম শাড়ি বেছে নিয়েছেন নির্মলা।
বাজেট পেশের আগে নির্মলা সীতারমণ।
রবিবার বাজেটসজ্জায় যে বেগুনি কাঞ্জিভরমটি পরেছেন নির্মলা তার পুরোটায় রয়েছে সোনালি জরির কাজ। পাড়টি কালো। তাতেও রয়েছে জরির কাজ। শাড়ির সঙ্গে হলুদ রঙের ফুলহাতা সোয়েটার পরেছেন নির্মলা। সঙ্গে নিয়েছেন মেরুন ও কালো রঙের চাদর। মনে করা হচ্ছে ভোটের কথা মাথায় রেখে তামিলনাড়ুর ঐতিহ্যকে তুলে ধরতেই বাজেটসজ্জায় এই শাড়ি বেছে নিয়েছেন তিনি। এই কাঞ্জিভরম শাড়ি বোনা হয় ডাবল ওয়ার্প ও ডাবল ওয়েফট পদ্ধতিতে। ফলে এগুলি খুব শক্ত ও মজবুত হয়। খাঁটি সিল্কের সুতো চালের জলে ডুবিয়ে, তা রোদে শুকিয়ে নেওয়ার পর তাতে সোনা ও রুপার প্রলেপ দেওয়া সুতো (জরি) ব্যবহার করা হয় ডিজাইনের জন্য।
রবিবার বাজেটসজ্জায় যে বেগুনি কাঞ্জিভরমটি পরেছেন নির্মলা তার পুরোটায় রয়েছে সোনালি জরির কাজ। পাড়টি কালো। তাতেও রয়েছে জরির কাজ। শাড়ির সঙ্গে হলুদ রঙের ফুলহাতা সোয়েটার পরেছেন নির্মলা। সঙ্গে নিয়েছেন মেরুন ও কালো রঙের চাদর।
প্রসঙ্গত, গতবছর অর্থাৎ ২০২৫-এ বাজেট পেশে সাদা ও সোনালি পাড়ের মধুবনী শাড়ি পরেছিলেন নির্মলা। শাড়িটি বিহারের শিল্পী দুলারি দেবীর হাতে তৈরি ছিল। ২০২১ সালে পদ্মশ্রী সম্মান পেয়েছিলেন ওই শিল্পী। মিথিলা আর্ট ইন্সটিটিউট তৈরি করে মধুবনী শিল্পকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য পদ্মশ্রী সম্মান দেওয়া হয় তাঁকে। দুলারি দেবী বাজেট অধিবেশনে পরার জন্য এই শাড়িটি বিশেষভাবে তৈরি করেন। কেরলে কাসাভু শাড়ির উপরে মধুবনী কাজ ফুটিয়ে তুলেছিলেন শিল্পী।
বাজেট ২০২৫-এ নির্মলা সীতারমণ পরেছিলেন মধুবনী শাড়ি।
