বাজেটের জটিল তাত্ত্বিক আলোচনার মধ্যে আমজনতার নজর থাকে নিত্যনৈমিত্তিক পণ্যের দামে। কীসের দাম বাড়ল, আর কীসের দাম কমল, সেটাই সবচেয়ে লক্ষ্যণীয় বিষয়।
এবারের বাজেটে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ একাধিক পণ্যের উপর আমদানি শুল্কে ছাড় ঘোষণা করেছেন। কোনও কোনও পণ্যে পুরোপুরি করছাড় দেওয়া হয়েছে। কয়েকটি পণ্যে আমদানি শুল্ক বা করের হার বাড়ানোও হয়েছে। যার ফলে নিম্নলিখিত পণ্যগুলির দামে বদল আসতে পারে।
সস্তা হচ্ছে:
১৭টি জীবনদায়ী ওষুধ (ডায়াবেটিস ও ক্যানসারের ওষুধ-সহ)
স্মার্টফোন, মোবাইলের যন্ত্রাংশ
ইলেকট্রনিক গাড়ির ব্যাটারি
চামড়ার ব্যাগ
জুতো
সি ফুড
খেলার সামগ্রী
বিদেশ ভ্রমণ
সিএনজি
সোলার প্যানেল
মাইক্রোওয়েভ
বিমানের যন্ত্রাংশ
বিড়ি
শাড়ি
দামি হচ্ছে:
সিগারেট
মদ
তামাকজাত পণ্য
নির্দিষ্ট কিছু খনিজ
এবারের বাজেটে মূলত আত্মনির্ভরতায় জোর দিয়েছে মোদি সরকার। যে কারণে ইচ্ছাকৃতভাবে কিছু পণ্যের আমদানি কর বাড়ানো হচ্ছে। আবার কিছু কিছু পণ্যের যন্ত্রাংশ, বা সামগ্রীর উপর আমদানি কর কমানো হয়েছে। ফলে কিছু বিদেশি পণ্যের দাম বাড়তে পারে। কমতে পারে ভারতে তৈরি পণ্যের দাম। এবারের বাজেটেও হতাশা নেশাড়ুদের জন্য। মদ, বিড়ি, সিগারেট, তামাকজাত পণ্যের দাম বাড়ছে। চিকিৎসাক্ষেত্রে বেশ কিছু ওষুধের দাম কমানোটা আমজনতাকে স্বস্তি দেবে।
যদিও এবারের বাজেটে করদাতাদের জন্য সেভাবে বড় কোনও ঘোষণা না থাকায় খানিকটা হলেও হতাশ মধ্যবিত্ত। তিনি ঘোষণা করেছেন, ১ এপ্রিল থেকে চালু হতে চলেছে নতুন আয়কর আইন। নতুন আয়কর আইনে ৩১ জুলাই পর্যন্ত আয়কর রিটার্ন দাখিল করা যাবে। অডিট হয়নি এমন ব্যবসায়িক মামলা বা ট্রাস্টের ক্ষেত্রে ৩১ অগস্ট পর্যন্ত রিটার্ন দাখিল করার সুযোগ থাকছে। আরও সরলীকরণ করা হবে কর কাঠামো। সব মিলিয়ে করদাতারা হতাশই।
