দেশের স্বাস্থ্য পরিষেবায় নয়া নজির গড়ল উত্তরপ্রদেশ। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের হাত ধরে ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচারে (ডিপিআই) আমূল বদলে গেল রাজ্যের চিকিৎসা ব্যবস্থা। আয়ুষ্মান ভারত ডিজিটাল মিশনের (এবিডিএম) হাত ধরে উত্তরপ্রদেশ এখন দেশের রোল মডেল। ২৪ কোটিরও বেশি মানুষের দুয়ারে পৌঁছে গিয়েছে এই আধুনিক পরিষেবা।
মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের লক্ষ্য ছিল দীর্ঘ লাইন ও কাগজপত্রের ঝামেলা থেকে সাধারণ মানুষকে মুক্তি দেওয়া। সেই লক্ষ্যে সাফল্য মিলেছে অভাবনীয়। সূত্রের খবর, রাজ্যে ইতিমধ্যে ১৪.৫২ কোটিরও বেশি 'আভা' (ABHA) আইডি তৈরি হয়েছে। যা দেশের মধ্যে সর্বাধিক। নথিভুক্ত হয়েছেন প্রায় এক লক্ষ চিকিৎসক ও ৭০ হাজার স্বাস্থ্য সংস্থা। সরকারের এই পদক্ষেপে স্বাস্থ্য পরিষেবা হয়েছে দ্রুত এবং স্বচ্ছ।
ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন এবং ল্যাব রিপোর্ট মিলছে হোয়াটসঅ্যাপেই। ১১১২টি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ল্যাবরেটরি ইনফরমেশন সিস্টেম চালু হয়েছে। ফলে রিপোর্ট পাওয়ার জন্য আর দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। রোগীর যাবতীয় শারীরিক তথ্যের রেকর্ড বা মেডিকেল হিস্ট্রি এখন একটি ক্লিকেই চিকিৎসকদের সামনে।
হাসপাতালের বহির্বিভাগে লাইন দেওয়ার ভোগান্তিও এখন অতীত। ‘স্ক্যান অ্যান্ড শেয়ার’ ব্যবস্থার মাধ্যমে কিউআর কোড স্ক্যান করেই নাম নথিভুক্ত করতে পারছেন রোগীরা। রাজ্যের প্রায় ৪০ শতাংশ রোগী এখন এই ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করছেন। সরকারি হাসপাতালের ডিজিটাল মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করছে নেক্সট-জেনারেশন ‘এইচআইএস’ এবং ‘ই-সুশ্রুত’ সিস্টেম। ১৫ হাজারেরও বেশি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল এখন এই ডিজিটাল ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত।
ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন এবং ল্যাব রিপোর্ট মিলছে হোয়াটসঅ্যাপেই। ১১১২টি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ল্যাবরেটরি ইনফরমেশন সিস্টেম চালু হয়েছে। ফলে রিপোর্ট পাওয়ার জন্য আর দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। রোগীর যাবতীয় শারীরিক তথ্যের রেকর্ড বা মেডিকেল হিস্ট্রি এখন একটি ক্লিকেই চিকিৎসকদের সামনে। প্রযুক্তির এই মেলবন্ধনে উত্তরপ্রদেশ এখন এআই-নির্ভর উন্নত চিকিৎসার পথেও অনেকটা এগিয়ে। যোগী সরকারের এই মডেলকে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা হিসেবে দেখছে সংশ্লিষ্ট মহল।
