উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) কানপুরে নির্মম হত্যাকাণ্ড। নিজের ১১ বছরের যমজ মেয়েদের ধারাল অস্ত্রে গলার নলি কেটে খুন করলেন বছর ৪৮-এর এক ব্যক্তি। অভিযুক্ত শশী রঞ্জন মিশ্র পেশায় মেডিক্যাল রিপ্রেসেন্টিটিভ। হত্যাকাণ্ডের পর নিজেই ফোন করে পুলিশে খবর দেন তিনি। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
আদতে বিহারে বাড়ি শশীর। কর্মসূত্রে কানপুরের বাসিন্দা হন তিনি। সন্দেহ করতেন স্ত্রী রেশমা পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়েছেন। শশী-রেশমার তিন সন্তান। ১১ বছরের দুই যমজ মেয়ে রিদ্ধি ও সিদ্ধি এবং ছয় বছরের এক ছেলে। পুলিশ জানিয়েছে, রেশমা পরকীয় সম্পর্কে জড়িত এই সন্দেহে প্রায়ই অশান্তি করতেন শশী। স্ত্রীকে বলতেন, তুমি ছেলেকে নিয়ে থাকো। আমি দুই মেয়ের দেখভাল করব। এমনকী সন্দেহের বশে বাড়িতে একাধিক সিসিটিভি ক্যামেরাও লাগান যুবক। রেশমার দাবি, অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন শশী। মেয়েদের ঘরে রেশমাকে ঢুকতে দিতেন না।
রেশমা পুলিশকে আরও জানিয়েছেন, শনিবার রাতে খাওয়াদাওয়ার পর মেয়েদের বিছানায় শুইয়ে দেন শশী। রাত আড়াইটে নাগাদ এক মেয়েকে শৌচালয়ে নিয়ে যান তিনি। এর পর শোবার ঘরে ফিরে আলো নিভিয়ে দেন। এর ঘণ্টা দুই পরে পুলিশের আপাৎকালীন নম্বরে ফোন করে জানান, দুই মেয়েকে খুন করেছেন তিনি। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। মৃত ১১ বছরের যমজ বালিকাদের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তাদের গলার নলি কেটে খুন করা হয়। ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে অভিযুক্ত শশী রঞ্জন মিশ্রকে। দুই বালিকার দেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।
