ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের মঞ্চে এবার বড়সড় সাফল্য পেল যোগী আদিত্যনাথের সরকার। দাভোসে মউ স্বাক্ষরিত হল ‘এএম গ্রিন গ্রুপ’-এর সঙ্গে। লক্ষ্য, গ্রেটার নয়ডায় দেশের অন্যতম বৃহত্তম ও আধুনিক ‘কম্পিউট ডেটা সেন্টার’ তৈরি করা।
এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে এই প্রকল্প উত্তরপ্রদেশের মানচিত্র বদলে দেবে। এএম গ্রিন গ্রুপ এই প্রকল্পে প্রায় ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করতে চলেছে। ভারতীয় মুদ্রায় যা কয়েক লক্ষ কোটি টাকার সমান। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, ২০২৮ সালের মধ্যে প্রকল্পের প্রথম দফার কাজ শুরু হবে। ২০৩০ সালের মধ্যে এটি পূর্ণ ক্ষমতায় ১ গিগাওয়াট শক্তিতে চলতে শুরু করবে।
এই মেগা ডেটা সেন্টারে থাকবে ৫ লক্ষ অত্যাধুনিক চিপসেট। এটি হাই-পারফরম্যান্স কম্পিউটিং এবং এআই ভিত্তিক পরিষেবাগুলোতে গতি আনবে। মূলত ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে এআই সমাধান তৈরির পথ প্রশস্ত হবে এর মাধ্যমে। এই ডেটা সেন্টারটি হবে সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব। সৌর ও বায়ুশক্তি ব্যবহার করে ২৪ ঘণ্টা কার্বন-মুক্ত বিদ্যুৎ পরিষেবা নিশ্চিত করা হবে এখানে।
শিল্পমহল বলছে, যোগী সরকারের শিল্পবান্ধব নীতি এবং পরিকাঠামোর উন্নতির ফলেই এই বিনিয়োগ সম্ভব হয়েছে। এর ফলে কয়েক হাজার দক্ষ কর্মীর কর্মসংস্থান হবে। শুধু ডেটা সেন্টার নয়, এর চারপাশে হার্ডওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারিং এবং সফটওয়্যার তৈরির একটি পূর্ণাঙ্গ ইকোসিস্টেম গড়ে উঠবে।
কোম্পানির চেয়ারম্যান অনিল চলামালাসেট্টি জানিয়েছেন, যোগী সরকারের সাহায্য ছাড়া এই স্বপ্ন সফল করা কঠিন ছিল। সব মিলিয়ে, ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর পথে উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh) এখন অন্যতম প্রধান সারথি। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির হাত ধরে লখনউ এখন উন্নয়নের নয়া ঘরানা তৈরি করছে।
