পশ্চিমবঙ্গ-সহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Elections) নির্ঘণ্ট প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। বাংলায় দু'দফায় ভোট। কমিশন জানিয়েছে, ২৩ ও ২৯ এপ্রিল ভোটদান হবে। গণনা ৪ মে। এদিকে ভোটের দিনক্ষণ প্রকাশ হওয়ার আগেই আজ, রবিবার বড় ঘোষণা পশ্চিমবঙ্গের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের। পুরোহিত-মোয়াজ্জিনদের ভাতা বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করা হল। ৫০০ টাকা করে ভাতা বাড়ানো হচ্ছে। এই ঘোষণার পরই সমালোচনায় সরব হয় বিরোধীরা। এই ঘোষণা কি নির্বাচনী আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘন হল? এবার সেই বিষয়ে সাফ জবাব দিল নির্বাচন কমিশন। এই বিষয়ে কী জানাল কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন?
বিধানসভা নির্বাচনের মুখে কল্পতরু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পর এবার পুরোহিত-মোয়াজ্জিনদের ভাতা বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করলেন তিনি। দুপুরেই এই ঘোষণা হয়। ৫০০ টাকা করে ভাতা বাড়ানো হচ্ছে। ফলে এবার থেকে পুরোহিত ও মোয়াজ্জিনরা ভাতা বাবদ মাসে পাবেন ২০০০ টাকা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বিষয়ে এক্স হ্যান্ডেলে বার্তা দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, নতুন করে পুরোহিত এবং মোয়াজ্জিনরা যে আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন, তাও রাজ্য সরকার দ্বারা অনুমোদিত হয়েছে। তিনি আরও লেখেন, “আমরা এমন একটি পরিবেশ গড়ে তুলছি যেখানে প্রতিটি সম্প্রদায়, ঐতিহ্যকে গুরুত্ব দেওয়া হয়, শক্তিশালী করা হয়। এজন্য আমরা গর্বিত।”
লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পর এবার পুরোহিত-মোয়াজ্জিনদের ভাতা বৃদ্ধির কথা ঘোষণা হয়। ৫০০ টাকা করে ভাতা বাড়ানো হচ্ছে। ফলে এবার থেকে পুরোহিত ও মোয়াজ্জিনরা ভাতা বাবদ মাসে পাবেন ২০০০ টাকা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বিষয়ে এক্স হ্যান্ডেলে বার্তা দিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশন এদিন বিকেল চারটের সময় সাংবাদিক বৈঠক করে বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করবে। সেই কথা এদিন সকালেই কমিশনের তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়। তার মধ্যেই এদিন দুপুরে রাজ্যের তরফে এই ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা হয়। এই ঘোষণা কি নির্বাচন কমিশনের আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘন হল? সেই প্রশ্ন উঠেছিল রাজনৈতিক মহলে।
এদিন বিকেল চারটে নাগাদ দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। তাঁকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। সেই বিষয়ে বড় বার্তা দিলেন জ্ঞানেশ। তিনি জানিয়ে দেন, বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় কোনও সমস্যা নেই। নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার পরই আদর্শ আচরণবিধি শুরু হয়। সেসময় কোনও সরকারি ঘোষণা, কর্মকাণ্ড করা যায় না। এক্ষেত্রে আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘিত হয়নি বলে জানিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার। ফলে ভাতা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনও বাধাই থাকল না। বিরোধীদের সমালোচনার জবাব দিল কমিশন। সেই কথাও মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। মুখ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তে খুশি দুই সম্প্রদায়ের ধর্মগুরুরা।
