shono
Advertisement
Twisha Sharma

গর্ভপাতের পর সম্পর্কে তিক্ততা, দিয়েছিলেন ৭ লক্ষ টাকা! তিশা মৃত্যু মামলায় বিস্ফোরক স্বামী

বিয়ের মাত্র ৫ মাসের মধ্যেই ভোপালে শ্বশুরবাড়িতে তিশার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। প্রথম বিবিএ, পরে এমবিএ করার পর মুম্বই এবং দিল্লির দু’টি সংস্থায় চাকরি করতেন তিশা। এর মধ্যেই সুন্দরী প্রতিযোগিতায় সাফল্য আসে। ‘মিস পুণে’ খেতাব পান তিনি। একটি তেলুগু ছবিতে অভিনয় করেন। ২০২৪ সালে একটি ডেটিং অ্যাপ সূত্রে তাঁর আলাপ হয় পেশায় আইনজীবী সম্রাটের সঙ্গে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে তাঁরা বিয়ে করেন। কিছুদিনের মধ্যেই বদলে যায় পরিস্থিতি।
Published By: Subhodeep MullickPosted: 02:21 PM May 26, 2026Updated: 02:27 PM May 26, 2026

প্রাক্তন মিস পুণে তিশা শর্মার মৃত্যুতে দেশজুড়ে হইচই পড়ে গিয়েছে। মামলার তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। এই পরিস্থিতিতে মুখ খুললেন তিশার স্বামী সমর্থ সিং। তিনি দাবি করেছেন, তিশার গর্ভপাতের পরই তাঁদের সম্পর্কে তিক্ততা তৈরি হয়েছিল। শুধু তা-ই, স্ত্রীকে নাকি তিনি এককালীন ৭ লক্ষ টাকাও দিয়েছিলেন। কিন্তু কী কারণে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ তিনি দিয়েছিলেন, তা স্পষ্ট করেননি।

Advertisement

বিয়ের মাত্র ৫ মাসের মধ্যেই ভোপালে শ্বশুরবাড়িতে তিশার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। প্রথম বিবিএ, পরে এমবিএ করার পর মুম্বই এবং দিল্লির দু’টি সংস্থায় চাকরি করতেন তিশা। এর মধ্যেই সুন্দরী প্রতিযোগিতায় সাফল্য আসে। ‘মিস পুণে’ খেতাব পান তিনি। একটি তেলুগু ছবিতে অভিনয় করেন। ২০২৪ সালে একটি ডেটিং অ্যাপ সূত্রে তাঁর আলাপ হয় পেশায় আইনজীবী সম্রাটের সঙ্গে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে তাঁরা বিয়ে করেন। কিছুদিনের মধ্যেই বদলে যায় পরিস্থিতি।

মাসখানেক আগেই তিশা মায়ের কাছে কাতর অনুরোধ করেন, ভোপালের শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে নয়ডার নিজের বাড়িতে ফিরতে চান। তাঁর একাধিক মেসেজে ইঙ্গিত ছিল, মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এমনকী ঘরে ফেরার টিকিটও কেটে ফেলেছিলেন তিশা। শেষ পর্যন্ত মায়ের কাছে আর ফেরা হয়নি তাঁর। ভোপালের পুলিশ কমিশনার সঞ্জয় কুমার জানিয়েছেন, তিশা আত্মহত্যা করেছেন। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে স্পষ্ট যে, গলায় ফাঁস দেওয়ার কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। যদিও তিশার মা-বাবা দাবি করেছেন, মেয়ে শ্বশুরবাড়িতে মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে ছিলেন। তাঁর সঙ্গে অন্যায় কিছু ঘটে থাকতে পারে। পণ চেয়ে অত্যাচারের অভিযোগও রয়েছে তিশার শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে।

এদিকে সমর্থ ও তাঁর পরিবার দাবি করেছে, বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই তিশার আচরণ অস্বাভাবিক হয়ে ওঠে। তাঁর মৃত্যুতে তাদের কোনও ভূমিকা নেই। প্রায় ১০ দিন ধরে পলাতক থাকার পর সম্প্রতি জবলপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে সমর্থকে। জেরায় সমর্থ দাবি করেছেন, বিয়ের পর প্রথম কয়েক মাস তিশার সঙ্গে তার সম্পর্ক স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু তিশা যখন জানতে পারেন তিনি গর্ভবতী, তখন থেকেই তাঁদের সম্পর্ক অন্যদিকে মোড় নেয়। তিশা নাকি তাঁর মডেলিং জীবন নিয়ে কথা বলতেন। সাংসারিক জীবনে তিনি বীতশ্রদ্ধ হয়ে উঠেছিলেন। এরপর থেকেই দম্পতির মধ্যে বিবাদ লেগে থাকত।

উল্লেখ্য, তিশার মৃত্যুতে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করেছে সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। প্রথমেই সংবাদমাধ্যমকে সাবধান করেছে বেঞ্চ। যেহেতু তিশার স্বামী আইনজীবী এবং শাশুড়ি প্রাক্তন বিচারক, তাই তদন্তকে প্রভাবিত করার অভিযোগ উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে। এমনকী সংবাদমাধ্যমের একাংশে এমনটাও বলা হয়, অভিযুক্তদের বিচার আটকে দিচ্ছে আইনবিভাগ। এই প্রক্ষিতেই সতর্কবার্তা দেয় শীর্ষ আদালত।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement