shono
Advertisement
Anil Ambani

কেন গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না অনিল আম্বানিকে? সুপ্রিম কোর্টে জবাব দিতে নারাজ কেন্দ্র

ঋণ খেলাপির অপরাধে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হলেও এখনও কেন গ্রেপ্তার করা হয়নি? সুপ্রিম কোর্টে উঠেছিল এই প্রশ্ন।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 03:17 PM May 01, 2026Updated: 03:43 PM May 01, 2026

ব্যাঙ্ক জালিয়াতি মামলায় অভিযুক্ত অনিল আম্বানি। ঋণ খেলাপির অপরাধে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হলেও এখনও কেন গ্রেপ্তার করা হয়নি? সুপ্রিম কোর্টে উঠেছিল এই প্রশ্ন। শুনানি চলাকালীন সুপ্রিম কোর্টে এর জবাবে কেন্দ্রের সলিসিটর তুষার মেহতা জানালেন, 'এই ধরনের প্রশ্নের কোনও উত্তর দেওয়া যায় না।'

Advertisement

অনিল আম্বানির নেতৃত্বাধীন অনিল ধীরুভাই আম্বানি গ্রুপের একাধিক সংস্থার বিরুদ্ধে ৪০ হাজার কোটির বেশি টাকার ঋণ জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় প্রাক্তন আমলা ইএএস শর্মার দায়ের করা একটি মামলার শুনানি চলছিল শীর্ষ আদালতে। শুনানিতে সিবিআই ও ইডির পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, ''২৩ মার্চ জারি করা নির্দেশের প্রেক্ষিতে উভয় কেন্দ্রীয় সংস্থা এই বিষয়ে নতুন স্ট্যাটাস রিপোর্ট দাখিল করেছে।'' অন্যদিকে, মামলাকারী পক্ষের আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ প্রশান্ত ভূষণ বলেন, "সিবিআই ও ইডি স্ট্যাটাস রিপোর্ট জারি করেছে ঠিকই কিন্তু এখনও এই ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।"

সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন, "কোনও এক্স বা ওয়াইকে কেন গ্রেপ্তার করা হয়নি তা বলা যায় না। অমুককে কেন গ্রেপ্তার করা হয়নি, তার উত্তর আমি দিতে পারব না।"

পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, "স্ট্যাটাস রিপোর্ট অনিল আম্বানিকে প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তদন্তকারীদের তরফে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি।" এর জবাবে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন, "কোনও এক্স বা ওয়াইকে কেন গ্রেপ্তার করা হয়নি তা বলা যায় না। অমুককে কেন গ্রেপ্তার করা হয়নি, তার উত্তর আমি দিতে পারব না। আমরা শুধুমাত্র আমাদের স্ট্যাটাস রিপোর্ট দাখিল করেছি।"

উল্লেখ্য, অনিলের বিরুদ্ধে খোদ ইডির রিপোর্টে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। যেখানে দেখা গিয়েছে, বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে ঋণ মিটমাটের ক্ষেত্রে আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে গিয়েছে আদানিদের সংস্থা। তা নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ করেছে খোদ শীর্ষ আদালত। ইডির রিপোর্টে বলা হয়েছে, অনিল ধীরুভাই আম্বানি (Anil Ambani) গ্রুপের বিরুদ্ধে ৪০০০০ কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতিতে তদন্ত চলছিল। এর মধ্যে ২৯৮৩ কোটির ঋণ মাত্র ২৬ কোটির বিনিময়ে মিটিয়ে নিয়েছেন অনিল আম্বানি।

মোট ৮টি ‘ননব্যাঙ্কিং’ অর্থনৈতিক সংস্থা এ ব্যাপারে মধ্যস্থতা করেছে। ‘Project Help’ নামের বিশেষ কর্মসূচিতে বকেয়া ঋণের নিষ্পত্তি হয়। গোটা প্রক্রিয়া যেভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে তাতে রীতিমতো তাজ্জব সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্ট ইডি এবং সিবিআইকে মামলার গতি বাড়াতে নির্দেশ দিয়েছে। যাতে দ্রুত স্বচ্ছ , পক্ষপাতমুক্ত তদন্ত সম্পন্ন করা যায়। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে মামলার তদন্ত শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে ইডিকে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement