হায়দরাবাদের প্রায় আড়াইশো কর্মীকে ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত জোম্যাটোর। অনলাইন ফুড ডেলিভারি প্ল্যাটফর্মটি এমাস থেকেই ওই কর্মীদের সরিয়ে দেবে বলে জানাচ্ছে এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম। জানা যাচ্ছে, কাজটি আউটসোর্স করতেই এহেন সিদ্ধান্ত। প্রশ্ন উঠছে, এর ফলে কি পরিষেবায় ব্যাঘাত ঘটবে?
জানা গিয়েছে, গুরুগ্রামে অবস্থিত ‘ইটারনাল’-এর অফিসে একটি একক কার্যকরী দল হিসেবে এবার কাজ করবে গ্রাহক সহায়তা বিভাগটি। আর এই সিদ্ধান্তের ফলেই চাকরি হারাবেন ২৪০ জন। তবে তাঁদের আগস্টের বেতনের পাশাপাশি চার মাসের অতিরিক্ত বেতনও দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। এর মধ্যে ক্তির শর্ত অনুযায়ী নোটিশ পিরিয়ডের বেতন এবং এককালীন বিশেষ অনুদানও রয়েছে। ২০২৭ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত চিকিৎসা বিমা এবং কাউন্সেলিং বা মানসিক সহায়তাও পাবেন ওই কর্মীরা। এর আগে গত বছরও জুনিয়র স্তরের প্রায় পাঁচশো কর্মীকে ছাঁটাই করা হয়েছিল। বছরখানেকের মধ্যেই নতুন করে বিতর্ক ঘনাল ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্তে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি মাইক্রোসফট, আমাজন ও মেটার মতো তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাগুলিও চলতি বছরে কয়েক হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছে। জুলাই মাসেই জানা গিয়েছিল মাইক্রোসফটের মোট কর্মীর ২.১ শতাংশ বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নেপথ্যে এআই। এআইয়ের ব্যাপক চাহিদা মাইক্রোসফ্টের ‘অ্যাজিউর’ ক্লাউড-কম্পিউটিং ব্যবসাকে উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়িয়েছে। যা এপ্রিল মাস পর্যন্ত ওপেনএআইয়ের মডেলগুলির একমাত্র বিক্রেতা ছিল। সমস্যা হল, ডেটা সেন্টার তৈরির ক্রমবর্ধমান ব্যয় প্রতিষ্ঠানটির নগদ প্রবাহের উপর চাপ সৃষ্টি করছে। এর জেরে কপাল পুড়ছে কর্মীদের। অতএব, বাস্তবেই মানুষের চাকরি খাচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। যা আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে চাকরির বাজারে। এর মধ্যেই জোম্যাটো থেকেও ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত ঘিরে তৈরি হল নয়া বিতর্ক।
