সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গাজা শহরের কেন্দ্রস্থলের দখল নিয়েছে ইজরায়েলের সেনা (Israel Army) , মঙ্গলবার এমনটাই দাবি করল তেল আভিভ। বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর (Benjamin Netanyahu) বাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, হামাস (Hamas) জঙ্গিরা পরিস্থিতির চাপে দক্ষিণ গাজার দিকে পালাতে শুরু করেছে। গত ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর এই ঘটনাকে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছে ইহুদি বাহিনী। এদিকে হামাসের পাশাপাশি ইরান সমর্থিত হোজবোল্লাকেও শেষ দেখে ছাড়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।
ঠিক এক মাস গত ৭ অক্টোবর ইজরায়েলে ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় হামাস গোষ্ঠী। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় অনুপ্রবেশ করে পণবন্দি করে ইজরায়েলি নাগরিকদের। যার পর শুরু পালটা হামলা চালায় তেল আভিভ। ধুন্ধুমার যুদ্ধের এক মাস পূর্তিতে মঙ্গলবার টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ওই ভাষণেই হামাসের পাশাপাশি হেজবোল্লাকেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। বলেন, “যদি হেজবোল্লা এই যুদ্ধে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে, তবে বড় ভুল করবে। এই সিদ্ধান্ত তাদের আয়ুষ্কালের ঝুঁকির হবে।”
[আরও পড়ুন: ইডেনে জাতীয় পতাকার অবমাননা! রেগে আগুন গাভাসকর, দেখুন ভিডিও]
অন্যদিকে ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইওভ গ্যালান্ট মন্তব্য করেন, “হামাসকে চিরতরে ধ্বংস করতে বদ্ধপরিকর আমরা।” এর পরেই সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, “আমাদের সেনা এখন গাজার কেন্দ্রস্থলে। গাজা এখন পর্যন্ত নির্মিত সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী ঘাঁটি।”
সূত্রের খবর, গাজার ঢুকে হামাসের সুড়ঙ্গ ঘাঁটিগুলিতে হামলা চালাচ্ছে ইজরায়েলি সেনা। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের বেশকিছু অস্ত্র। এদিকে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পড়লেও এখনই যুদ্ধবিরতিতে রাজি নন, জানিয়ে দিয়েছেন নেতানিয়াহু। তাঁর সাফ কথা, ততদিন পর্যন্ত গাজায় জ্বালানি সরবরাহ করা হবে না, যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হবে না, যত দিন না প্যালিস্তিনীয় জঙ্গিদের হাতে আটক ২৪০ জন ইজরায়েলি পণবন্দিকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে। যদিও অন্য কথা জানা গিয়েছিল গতকাল। ত্রাণ ও পণবন্দিদের স্বার্থে গাজায় ‘কৌশলগত বিরতি’র সিদ্ধান্ত নিতে পারেন নেতানিয়াহু, মঙ্গলবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছিল।