shono
Advertisement
Ritabrata Banerjee

'প্রতি মাসে শহিদ পরিবারদের ১০ হাজার টাকা', মমতাকে বিঁধে একুশের মঞ্চে বললেন ঋতব্রত

আজ মেয়ো রোডে তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের উদ্যোগে আয়োজিত একুশের মঞ্চ থেকে একথা ঘোষণা করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।
Published By: Jaba SenPosted: 03:54 PM Jul 21, 2026Updated: 04:57 PM Jul 21, 2026

দলের প্রতীক-তহবিল হাতে পেলে একুশে জুলাইয়ের শহিদ পরিবারগুলিকে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে, মেয়ো রোডে গান্ধি মূর্তির পাদদেশে একুশের মঞ্চ থেকে একথা ঘোষণা করলেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee)। এই মঞ্চ থেকে লাগাতার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) কটাক্ষ করেন তিনি। ঋতব্রত জানান, শহিদ স্মরণের মঞ্চ কোনও রিয়্যালিটি শোয়ের মঞ্চ নয়, কোনও ক্যাটওয়াকের জায়গা নয়। কিন্তু এতদিন একুশে জুলাই এভাবেই পালিত হয়ে এসেছে। তবে এবার থেকে তা আর হবে না। মর্যাদা পাবেন শহিদ পরিবারগুলি। 

Advertisement

এক অন্য একুশে জুলাইয়ের সাক্ষী থাকল কলকাতা। রাজ্যে পালাবদলের পর টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। শহরে আড়াই কিলোমিটারের মধ্যে তিনটি মঞ্চ থেকে শহিদ স্মরণের আয়োজন করা হয়। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে ক্যাথিড্রাল রোডে একুশে জুলাইয়ের সভা করে কালীঘাট-তৃণমূল। মেয়ো রোডে গান্ধি মূর্তির পাদদেশে সভা করে বিদ্রোহী তৃণমূল শিবির অর্থাৎ ঋতব্রতরা। অন্যদিকে, শহিদ মিনারের সামনে সভা করে কংগ্রেস। বর্তমানে দলের নাম-প্রতীক ও তহবিল নিয়ে কালীঘাট তৃণমূল ও ঋত-তৃণমূলের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে। ঋতব্রত শিবির দাবি করেছে, তাঁরাই আসল তৃণমূল। তাঁরা নির্বাচন কমিশনেও আবেদন জানিয়েছেন। অন্যদিকে আজ একুশের মঞ্চ থেকে মমতা দাবি করেন, তিনিই দলের প্রতিষ্ঠাতা। তাই আসল তৃণমূল তাঁরাই। দলের নাম-প্রতীক-তহবিলের জন্য সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন মমতা।

দলের প্রতীক-তহবিল নিয়ে কালীঘাট-তৃণমূল ও ঋত-তৃণমূলের মধ্যে এই দ্বন্দ্বের মধ্যে বড় ঘোষণা করলেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়ে দেন, দলের প্রতীক-তহবিল হাতে পেলে প্রতি মাসে একুশে জুলাইয়ের শহিদ পরিবারগুলিকে ১০ হাজার টাকা করে দেবে দল। শহিদদের সঙ্গে এতদিন 'চুরি' হয়েছে বলেও এদিন মমতাকে কটাক্ষ করেন ঋতব্রত।

ঋতব্রতকে নিশানা করে মমতাপন্থী তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় বলেন, "সিপিএম তাড়িয়ে দিয়েছিলেন। তৃণমূলে এসে পায়ে ধরে নমিনেশন নিয়েছিলেন। এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই চ্যালেঞ্জ করছে! যাঁদের হাতে তৃণমূল কর্মীরা খুন হয়েছেন তাঁদের নেতৃত্বে তৃণমূল করতে হলে তার আগে যেন আমার মৃত্যু হয়ে যায়। ওই শিবিরে যাঁরা গিয়েছেন তাঁদের পলিটিক্যাল ডেথ হয়ে গিয়েছে। ৩৭ বছর ধরে শহিদ পরিবারগুলিকে সাহায্য করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চাকরি করে দিয়েছেন। ইতিহাস জানে না বলে এসব মিথ্যা কথা বলছেন।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement