শনিবারের হামলার জেরে এখনও শারীরিক অবস্থা বেশ কাহিল। চোয়ালে ব্যথা, সারা গায়ে কালশিটে। সেই কারণে সোমবার সিআইডি তলবে সাড়া দিয়ে ভবানীভবন যাচ্ছে না তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেকথা জানিয়ে তিনি সময় চাইতে পারেন রাজ্য তদন্তকারী সংস্থার কাছে। সূত্রের আরও খবর, অভিষেকের বেশ কিছু ডাক্তারি পরীক্ষা এখনও বাকি। তাতে কিছুটা সময় লাগবে। সবমিলিয়ে সিআইডি হাজিরায় আরও খানিকটা সময় নিতে চান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই মর্মে তিনি ইমেল করে কয়েক সপ্তাহ সময় চেয়েছেন তদন্তকারীদের কাছে। তৃণমূল বিধায়কদের সই জাল মামলার তদন্তে নোটিস পাঠিয়ে সোমবার দুপুরে তাঁকে সিআইডি তলব করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি অসুস্থ বলে এদিন যাচ্ছেন না।
সূত্রের খবর, মেলে তিনি উল্লেখ করেছেন যে আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করেই কয়েক সপ্তাহ সময় চেয়েছেন হাজিরার জন্য। ইতিমধ্যে রাহুল গান্ধী তাঁকে ফোন করে হায়দরাবাদ গিয়ে চিকিৎসার পরামর্শ দিয়েছেন। অভিষেক জানান, এখনই তা সম্ভব নয়। তাঁর বেশ কিছু ডাক্তারি পরীক্ষা করতে হবে। সেসবের পর বাইরে গিয়ে চিকিৎসার কথা ভাববেন।
বিরোধী দলনেতা নির্বাচনে তৃণমূল বিধায়কদের স্বাক্ষরে গরমিল ধরা পড়ায় বিধানসভার সচিব এফআইআর দায়ের করেছিলেন। তার ভিত্তিতে সিআইডি তদন্তে নেমে একাধিক বিধায়ককে নোটিস ধরায়। এ প্রসঙ্গে নোটিস দিয়ে তলব করা হয় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। শনিবার তিনি এই নোটিস পাওয়ার পর সোনারপুরে মৃত দলীয় কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে ব্যাপকভাবে জনরোষের শিকার হন। তাঁকে লক্ষ্য ডিম-জুতো ছোড়া, জামা ছিঁড়ে মারধর করা হয়। মাথায় হেলমেট থাকায় ছোড়া ইটের আঘাত থেকে বেঁচে যান। পরে দুটি হাসপাতালে অভিষেকের চিকিৎসা হয়। আপাতত তিনি বাড়িতেই হাসপাতালের পরিকাঠামোয় বিশ্রামে রয়েছেন। চলছে পেন কিলার-সহ একাধিক ওষুধ চলছে তাঁর।
এই অবস্থায় ভবানীভবনে গিয়ে হাজিরা দেওয়া সম্ভব নয় বলে সিআইডি-কে জানিয়েছেন অভিষেক। সূত্রের খবর, মেলে তিনি উল্লেখ করেছেন যে আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করেই কয়েক সপ্তাহ সময় চেয়েছেন হাজিরার জন্য। ইতিমধ্যে রাহুল গান্ধী তাঁকে ফোন করে হায়দরাবাদ গিয়ে চিকিৎসার পরামর্শ দিয়েছেন। অভিষেক জানান, এখনই তা সম্ভব নয়। তাঁর বেশ কিছু ডাক্তারি পরীক্ষা করতে হবে। সেসবের পর বাইরে গিয়ে চিকিৎসার কথা ভাববেন।
