বয়স মাত্র বত্রিশ। দাড়িভিট আন্দোলনের সময় শাসকের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রধান মুখ হয়ে উঠছিলেন। যেতে হয়েছিল জেলেও। উত্তর দিনাজপুরের করণদিঘি বিধানসভার সেই তরুণ ও লড়াকু নেতা বিরাজ বিশ্বাসই এবার শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায়। সোমবার লোকভবনে দাঁড়িয়ে শপথ নেন। তিনিই হলেন কনিষ্ঠতম মন্ত্রী। সংবাদ প্রতিদিন অবশ্য আগেই জানিয়েছিল বিরাজ বিশ্বাস (Biraj Biswas) মন্ত্রী হতে পারেন। এদিনের শপথের পর সেই খবরেই সিলমোহর।
করণদিঘির ভূমিপুত্র গোড়ার দিকে আরএসএসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ছাত্রজীবনে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্য থেকে রাজ্য সম্পাদক পদে ধাপে ধাপে উত্তীর্ণ হয়েছেন। পরবর্তীতে রাজ্যের গণ্ডি ছাড়িয়ে এবিভিপির সর্বভারতীয় সম্পাদক পদেও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করেছেন বিরাজ। আগাগোড়া দলের প্রতি দায়বদ্ধতা, ভালোবাসাই শীর্ষ নেতৃত্বের নজরে এনেছেন তাঁকে। ফলস্বরূপ, ছাব্বিশের বাংলার রাজনৈতিক পালাবদলে বিরাজের উপর ভরসা রাখে বিজেপি। করণদিঘি থেকে তাঁকে গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী করা হয়েছিল।
করণদিঘির ভূমিপুত্র গোড়ার দিকে আরএসএসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ছাত্রজীবনে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্য থেকে রাজ্য সম্পাদক পদে ধাপে ধাপে উত্তীর্ণ হয়েছেন। পরবর্তীতে রাজ্যের গণ্ডি ছাড়িয়ে এবিভিপির সর্বভারতীয় সম্পাদক পদেও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করেছেন বিরাজ। আগাগোড়া দলের প্রতি দায়বদ্ধতা, ভালোবাসাই শীর্ষ নেতৃত্বের নজরে এনেছেন তাঁকে। ফলস্বরূপ, ছাব্বিশের বাংলার রাজনৈতিক পালাবদলে বিরাজের উপর ভরসা রাখে বিজেপি। করণদিঘি থেকে তাঁকে গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী করা হয়েছিল। সেই ভরসা ষোল আনা রাখেন এবিভিপির প্রাক্তন নেতা। করণদিঘির হেভিওয়েট নেতা গৌতম পালকে বিরাজ ২০ হাজার ভোটে পরাজিত করেন।
বয়স আর অভিজ্ঞতা কম হলেও রাজনৈতিক লড়াইয়ে বাঘা বাঘা নেতাদের কুপোকাত করে তিনিই হয়ে উঠেছেন ‘বাজিগর’। ছাত্রজীবন থেকে রাজনৈতিক কেরিয়ারের ধাপে ধাপে উঠে এবার তিনি সটান পা রাখলেন রাজ্য মন্ত্রিসভায়। কোন দপ্তরের মন্ত্রী হলেন তিনি, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সম্ভবত সোমবারই মন্ত্রীদের দায়িত্ব বণ্টন হয়ে যাবে বলেই খবর। এদিন বিরাজ বিশ্বাসের সঙ্গে আরও ৩৪ জন বিধায়ক মন্ত্রী পদে শপথ নেন। করণদিঘির ঘরের ছেলে মন্ত্রী হওয়ায় খুশি গোটা এলাকা। ওই এলাকার এবার ব্যাপক উন্নয়ন হবে বলেই আশায় বুক বাঁধছেন স্থানীয়রা।
