আগামী কাল নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠক। কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়ার উন্নয়ন-সহ একাধিক ইস্যুতে বৈঠক রয়েছে। সেই বৈঠকে হাওড়ার সব তৃণমূল বিধায়ক যোগ দেবেন। জোর গলায় এদিন সেই দাবি করেছেন তৃণমূলের সদ্য বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee)। আগামী কাল, বুধবার বেলা ২টোয় নবান্নে ওই বৈঠক রয়েছে।
রাজ্যে পালাবদলের পর শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। সরকারি সভা, অনুষ্ঠানে বিরোধীদের ডাকা হবে। সেই কথা জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ইতিমধ্যেই উত্তরবঙ্গ, কল্যাণী, হুগলিতে জেলাভিত্তিক প্রশাসনিক বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেসব বৈঠকে তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক, সাংসদরা উপস্থিত হয়েছিলেন। কল্যাণীর প্রশাসনিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বারাসতের তৃণমূলের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। সেই নিয়ে জোর জল্পনাও চলেছে। তৃণমূলে এই মুহূর্তে 'বিদ্রোহী', 'বিতর্কিত' সাংসদ কাকলি। তাঁর সঙ্গে কি বিজেপির যোগাযোগ রয়েছে? সেই প্রশ্ন উঠেছে। এই মুহূর্তে তৃণমূল কংগ্রেসের মুষলপর্ব চলছে। প্রায় ৫০ জন বিধায়ক দল ছাড়তে পারেন! সেই জল্পনার কথা বঙ্গ রাজনীতিতে ঘুরছে।
চিঠি বিতর্ক কাণ্ডে গতকাল, সোমবারই দল বিরোধী কাজের অভিযোগে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে তৃণমূল বহিষ্কার করেছে। ঋতব্রতের নেতৃত্বে কি ৫০ জন তৃণমূল বিধায়ক দলত্যাগ করছেন? নতুন দল গঠন করা হচ্ছে? সেই চর্চা হচ্ছে।
চিঠি বিতর্ক কাণ্ডে গতকাল, সোমবারই দল বিরোধী কাজের অভিযোগে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে তৃণমূল বহিষ্কার করেছে। ঋতব্রতের নেতৃত্বে কি ৫০ জন তৃণমূল বিধায়ক দলত্যাগ করছেন? নতুন দল গঠন করা হচ্ছে? সেই চর্চা হচ্ছে। এরই মধ্যে এদিন জোরালো বার্তা দিলেন উলুবেড়িয়া পূর্বের এই বিধায়ক। ঋতব্রত জোরালোভাবে জানিয়ে দিলেন, আগামী কাল, বুধবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন হাওড়ার তৃণমূলের সব বিধায়ক। তাহলে কি দলের নির্দেশের বাইরে গিয়ে কাজ করছেন হাওড়ার এই বিধায়করা? তাঁরা কি ঋতব্রতের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন? সেই প্রশ্নও উঠেছে।
