অবশেষে আগাম জামিন পেলেন বীরভূমের দাপুটে নেতা অনুব্রত মণ্ডল। তবে তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে, এই শর্তেই তাঁকে আগাম জামিন দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। ইটভাটা সংক্রান্ত মামলায় আগামী ১০ দিনের মধ্যে তাঁকে তদন্তকারী অফিসারের সঙ্গে দেখা করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি।
রাজ্যে পালাবদলের পর একের পর এক তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হচ্ছে। সম্প্রতি বীরভূমের ইটভাটার ৩০ লক্ষ টাকা লুট মামলায় নাম জড়ায় অনুব্রতর। গ্রেপ্তার করা হতে পারে, এই আশঙ্কা করে আগেই সিউড়ি জেলা জজ আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন তিনি। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি। মামলা গ্রহণই করেনি আদালত। আগাম জামিন পেতে মরিয়া অনুব্রত তারপর কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন। সোমবার সেই মামলায় আগাম জামিন দিল হাই কোর্ট।
উল্লেখ্য, বরাবরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত ছিলেন অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। বীরভূমে সংগঠনের রাশ পুরোপুরি তাঁর হাতেই ছেড়েছিলেন দলনেত্রী। ভোটের সময়ও বীরভূম নিয়ে বিশেষ ভাবতে হত না মমতাকে। কিন্তু গরুপাচার মামলায় অনুব্রত গ্রেপ্তার হতেই বীরভূমের রাজনৈতিক সমীকরণ সম্পূর্ণ বদলে যায়। পরবর্তীতে অনুব্রত জামিনে মুক্ত হয়ে এলাকায় ফিরলেও দলে সেই পুরনো জায়গা আর পাননি। পালাবদলের পর একেবারেই নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছিলেন তিনি। পরবর্তীতে দেখা যায় ‘দিদি’র হাত ছেড়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দিয়েছেন তিনি। ‘আসল তৃণমূল’ বীরভূমের জেলা সভাপতি করেছে সেই ‘দিদি’র প্রিয় কেষ্টকেই।
