লেকটাউনে মেসি ও মারাদোনার মূর্তি বসানো নিয়ে রিপোর্ট তলব করল কলকাতা হাই কোর্ট। সম্প্রতি যুবভারতীতে অশান্তির ঘটনায় জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল কলকাতা হাই কোর্টে। মামলা করেন জনৈক স্বদেশ মজুমদার। সোমবার সেই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয় হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথী সেনের ডিভিশন বেঞ্চে।
সরকারি জমিতে মেসি ও মারাদোনার মূর্তি বসানো হয়েছে কি? সেই বিষয়ে এদিন রিপোর্ট পেশের নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চে। এজন্য সময়ও বেঁধে দিয়েছে হাই কোর্ট। আদালত জানিয়েছে, ৩ সপ্তাহের মধ্যে দমদম পুরসভা এবং রাজ্যকে এ বিষয়ে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। জনস্বার্থ মামলায় আবেদনকারীর দাবি, “রাস্তার ধারে মূর্তি বানানো হয়েছে। শাসকদলের নেতা সেই মূর্তি বানালেন কীভাবে?” একই সঙ্গে, সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষের বাধা সৃষ্টি করে সরকারি জমিতে কোন মূর্তি বা স্থাপত্য শিল্প করা যাবে না।
সম্প্রতি কলকাতায় মেসি এসে ওই মূর্তি ভারচুয়ালি উদ্বোধন করেছিলেন। পরে তিনি সল্টলেকে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গণে অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। সেসময় মাঠে চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলা দেখ যায়। ভঙাচুর চলে মাঠে! সেই বিষয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মাওলা দায়ের হয়েছিল। সেসময় কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি পার্থসারথী সেন প্রশ্ন তুলেছিলেন, সুজিত বসু যে মূর্তি করেছেন, সেটা কি সরকারি জমিতে? নাকি ব্যক্তিগত জমিতে বসানো হয়েছে? সরকারি জমিতে ব্যক্তিগতভাবে কিছু কি বসানো যায়?
এর আগে যুবভারতী মামলায় কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি পার্থসারথী সেন প্রশ্ন তুলেছিলেন, সুজিত বসু যে মূর্তি করেছেন, সেটা কি সরকারি জমিতে? না ব্যক্তিগত জমিতে বসানো হয়েছে? সরকারি জমিতে এভাবে ব্যক্তিগতভাবে কিছু বসানো যায়? সেই প্রশ্নও তিনি করেছিলেন।
