বেপরোয়া গতিতে বিপত্তি। একের পর এক গাড়ি ও ডিভাইডারে ধাক্কা মেরে উলটে গেল চারচাকার গাড়ি। জখম হয়েছেন এক যুবক ও দুই তরুণী-সহ মোট চারজন। স্থানীয়রাই তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসার বন্দোবস্ত করেন।
চিনার পার্কের দিক থেকে বিশ্ববাংলা গেটের দিকে আসছিল ওই গাড়িটি। তাতে ছিলেন এক যুবক ও দুই তরুণী। ইকো পার্কের কাছে নামজাদা পাঁচতারা হোটেলের সামনে চার চাকা গাড়িটি খেলনার মতো উলটে যায়। তার আগে একটি অ্যাপ ক্যাব ও ডিভাইডারে ধাক্কা মারে গাড়িটি। সকলেই কমবেশি জখম হন। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ইকো পার্ক থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। তবে তার আগে স্থানীয়রাই গাড়িটি উদ্ধারে হাত লাগান। পরে পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, গাড়িতে থাকা সকলেই নাকি মদ্যপ ছিলেন। এমনকী যিনি গাড়ি চালাচ্ছিলেন তিনিও মদ্যপ ছিলেন। সে কারণেই সম্ভবত অতি দ্রুতগতিতে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। আর সে কারণেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডিভাইডারে ধাক্কা মারে। উলটে যায় গাড়িটি। দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়়িটিকে বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। গোটা ঘটনার তদন্ত করছেন তদন্তকারীরা।
এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি, ইকো পার্কের কাছে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় এক স্কুটি চালকের। ডিভাইডারে ধাক্কা মেরে ছিটকে রাস্তায় পড়েন ওই স্কুটি চালক। বিশ্ববাংলা গেটের দিক থেকে স্কুটি করে আকাঙ্খা মোড়ের দিকে যাচ্ছিলেন। ইকোপার্ক এক নম্বর গেট ও দু'নম্বর গেটের মাঝে দ্রুত গতিতে ছুটতে থাকা স্কুটি হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডিভাইডারে ধাক্কা মারে। তাতেই পাল্টি খেয়ে রাস্তায় ছিটকে পড়েন যুবক। তাঁর মাথায় হেলমেট ছিল না বলে জানিয়েছে পুলিশ। মাথায় ও বুকে আঘাত লাগে। রক্তে ভেসে যায় এলাকা। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিশ সূত্রে খবর, যুবক দ্রুত গতিতে স্কুটি চালাচ্ছিলেন। তখনই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডিভাইডারে ধাক্কা মেরে রেলিংয়ে ছিটকে পরে। তাতেই মৃত্যু। মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবে প্রশ্নের মুখে ওই এলাকার পথ নিরাপত্তা।
