মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সঙ্গে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সম্পর্কের গভীরতা কারও অজানা নয়। মাঝে দূরত্ব বাড়লেও এই ভাঙনের মরশুমে যখন নেত্রীর পাশে কার্যত কেউ নেই, সেই সময়ই প্রিয় কাননকে 'দিদি'র পাশে দেখা গিয়েছে। ডিম হামলার পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ছুটে গিয়েছিলেন শোভন। এসবের মাঝেই আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক শোভন-বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় (Baishakhi Banerjee)। তাঁর দাবি, তিনি তৃণমূলের দুর্নীতি নিয়ে একাধিক চিঠি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লিখেছিলেন। যা নাকি নেত্রী পাঠিয়ে দিতেন অভিযুক্তের কাছেই। ফলে দুর্নীতির অভিযোগ হাসির খোরাক হয়ে উঠত। পাশাপাশি অরূপ বিশ্বাস-ফিরহাদ হাকিমকে নিয়েও মুখ খুললেন তিনি। প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে।
বৈশাখীর দাবি, তৃণমূলের দুর্নীতি নিয়ে একাধিকবার তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখেছিলেন। কিন্তু তাতে কোনও লাভ হয়নি। কারণ হিসেবে বৈশাখী দাবি করেন, তাঁর পাঠানো চিঠি নাকি অভিযুক্তের হাতেই তুলে দিতেন মমতা। পরবর্তীতে তাঁরা আবার বৈশাখীদেবীতে তা নিয়ে খোঁচাও দিতেন।
ঠিক কী বলেছেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়? একটি সংবাদমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুটো হাতই কাটা গিয়েছে। একজন অরূপ বিশ্বাস, আরেকজন ফিরহাদ হাকিম। শোভনের সব থেকে বড় শত্রু এই দুজনই।" এখানেই থামেননি তিনি। বৈশাখীর দাবি, তৃণমূলের দুর্নীতি নিয়ে একাধিকবার তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখেছিলেন। কিন্তু তাতে কোনও লাভ হয়নি। কারণ হিসেবে বৈশাখী দাবি করেন, তাঁর পাঠানো চিঠি নাকি অভিযুক্তের হাতেই তুলে দিতেন মমতা। পরবর্তীতে তাঁরা আবার বৈশাখীকে তা নিয়ে খোঁচাও দিতেন। অর্থাৎ দুর্নীতি রুখতে দলনেত্রী কোনওদিনই কোনও পদক্ষেপ করেননি বলেই দাবি তাঁর।
পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যেভাবে দুর্নীতি রুখতে ময়দানে নেমেছেন তাঁর প্রশংসাও করেন বৈশাখী। বলেন, "উনি দুর্দান্ত কাজ করছেন। ওনাকে তো বহুদিন ধরে চিনি, এখন যেভাবে দেখছি তা অনবদ্য।" আরও একধাপ এগিয়ে তিনি বলেন, "যে কোনও দরকারে শুভেন্দুদাকে পাই।" যদিও এই প্রশংসার নেপথ্যে ব্যক্তিগত স্বার্থ রয়েছে বলেই দাবি বিজেপির একাংশ। এপ্রসঙ্গে বিজেপির মুখপাত্র বলেন, "কে এখন কেন কী বলছেন, সকলেই তা জানেন, বুঝতেও পারছেন।"
