রাজ্য শাসনের দায়িত্বভার গ্রহণ করে একে একে সব ক্ষেত্রকে ঢেলে সাজাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একাধিক দপ্তরে উন্নয়নের আর কাজে মসৃণ গতি আনতে নতুন নতুন নিয়ম লাগু করছেন। এবার পুলিশ প্রশাসনের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ, ধর্মীয় স্থান ও অনুষ্ঠানে নির্দিষ্ট মাত্রার বাইরে মাইক বাজানো চলবে না। সীমা পেরলেই পুলিশকে শক্ত হাতে ব্যবস্থা নিতে হবে। এর অন্যথা যাতে না হয়, তার জন্য এদিন রীতিমতো কড়া সুরে পুলিশকর্তাদের জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।
শব্দদূষণ রুখতে নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী একাধিক পদক্ষেপ করলেন। এদিন পুলিশ প্রশাসনকে তাঁর কড়া বার্তা, ধর্মীয় স্থানের আশপাশে কোনওভাবেই নির্ধারিত মাত্রার বাইরে মাইক বাজানো চলবে না। যদি তেমন ঘটে, সেক্ষেত্রে পুলিশকেই কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে।
পরিবেশ আদালতের নিয়ম অনুযায়ী, বসতি এলাকায় সর্বোচ্চ ৫৫ ডেসিবেল পর্যন্ত স্বরে বাজানো যায় মাইক। তবে শিল্পতালুক ও ব্যবসায়িক এলাকায় এই মাত্রা কিছুটা বেশি। ধর্মীয় স্থান যেহেতু সাধারণত বসতি এলাকায় তৈরি হয়, তাই এখানকারও সর্বোচ্চ মাত্রা ৫৫ ডেসিবেল নির্ধারিত করেছে পরিবেশ আদালত। তবে বিশেষ উৎসব ও অনুষ্ঠানে ৬৫ ডেসিবেল পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হত এতদিন। কিন্তু রাজ্যে সরকার বদলের পর যাবতীয় নিয়ম কঠোর করা হয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম শব্দের মাত্রা। বৃহস্পতিবার রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে নবান্নে বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সূত্রের খবর, সেখানে তিনি কড়া নির্দেশ দিয়েছেন, কোনও ধর্মীয় স্থানেই আর তারস্বরে মাইক বাজানো চলবে না। নির্দিষ্ট মাত্রার বাইরে তা বাজানো হলে পুলিশ যাতে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়, সেকথা বারবার তিনি বলেছেন।
এতদিন নানা উৎসব, অনুষ্ঠানে ধর্মীয় স্থানগুলিতে উচ্চস্বরে মাইক বাজানোর ঘটনা ঘটত অহরহ। কোনও কোনও এলাকায় নির্দিষ্ট সময়ের পরও বাজত মাইক। রোগীরা সমস্যায় পড়তেন। কিন্তু রাজ্যে পালাবদল হতেই এসবে কড়াকড়ি করা হচ্ছে। শব্দদূষণ রুখতে নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী একাধিক পদক্ষেপ করলেন। এদিন পুলিশ প্রশাসনকে তাঁর কড়া বার্তা, ধর্মীয় স্থানের আশপাশে কোনওভাবেই নির্ধারিত মাত্রার বাইরে মাইক বাজানো চলবে না। যদি তেমন ঘটে, সেক্ষেত্রে পুলিশকেই কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে।
