দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স বিজেপি সরকারের। প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, কাটমানির তদন্তে কমিটি গঠন করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কলকাতা হাই কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর নেতৃত্বে এই কমিশন গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে রয়েছেন আইপিএস পদমর্যাদার শীর্ষ আধিকারিক জয়রামনও। আগামী ১ জুন থেকেই এই তদন্ত কমিটি কাজ করবে বলে নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর। দুর্নীতির বিরুদ্ধে এহেন পদক্ষেপ খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
কলকাতা হাই কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর নেতৃত্বে এই কমিশন গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে রয়েছেন আইপিএস পদমর্যাদার শীর্ষ আধিকারিক জয়রামনও। আগামী ১ জুন থেকেই এই তদন্ত কমিটি কাজ করবে বলে নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর।
আজ, সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিব সবরকমভাবে এই কমিটিকে সাহায্য করবেন। যে সমস্ত নথি চাওয়া হবে তা রাজ্য পুলিশের ডিজি পৌঁছে দেবেন। সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী আশাপ্রকাশ করেন, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এই কমিটি যা নির্দেশ দেবেন সেই মতো পদক্ষেপ করা হবে। এমনকী বিএনএসের ধারায় পুলিশের পক্ষ থেকে এফআইআর করা হবে বলেও স্পষ্ট বার্তা শুভেন্দু অধিকারী। শুধু তাই নয়, ফান্ড কোথায় গিয়েছে, কীভাবে নয়ছয় হয়েছে তা খতিয়ে দেখে উদ্ধার করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
এদিন শুধু প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি কিংবা কাটমানির বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গড়ে দেওয়া নয়, রাজ্যের নারী নির্যাতনের তদন্তেও নয়া কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কলকাতা হাই কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ওই কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত করবেন আইপিএস দময়ন্তী সেনও।
বলে রাখা প্রয়োজন, ভোট প্রচারে এসে বারবার অমিত শাহ কিংবা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মুখে তৎকালীন তৃণমূল সরকারের কাটমানি, সিন্ডিকেটের কথা উঠে এসেছে। এমনকী ক্ষমতায় আসলে কাটমানি, দুর্নীতি রাজ বন্ধ করাই প্রথম কাজ হবে বলে বাংলার মানুষকে প্রতিশ্রুতি দেন তাঁরা। সরকার গঠন হওয়ার পর, গত সোমবার মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক হয়। সেখানেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু জানিয়েছিলেন, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি এবং নারী নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে আলোচনা হবে। এমনকী দুর্নীতি কাটমানির বিরুদ্ধে একেবারে জিরো টলারেন্স নীতির ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। এর মধ্যেই এবার প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, কাটমানি এবং নারী নির্যাতনের তদন্তে পৃথক দুটি তদন্ত কমিশন গঠন করা হল।
