পূর্বতন তৃণমূল সরকার বারবার কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগে সুর চড়িয়েছে। বরাবরই তা নস্যাৎ করেছেন বিজেপি নেতা-মন্ত্রীরা। জলজীবন মিশন চালু নিয়ে সোমবার কেন্দ্রের সঙ্গে বৈঠকে আরও একবার পূর্বতন সরকারকে বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
শুভেন্দু বৈঠকে বলেন, "এতদিন রাজ্যে শুধু খাতায় কলমে কাজ হত। কেন্দ্র যা টাকা দিয়েছি সেই অনুযায়ী বিগত সরকার কাজ করেনি। জলজীবন মিশনের নাম বদলে 'জলস্বপ্ন' করে দিয়েছিল।"
এদিন কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রকের সঙ্গে বৈঠক করেন শুভেন্দু অধিকারী। ছিলেন মুখ্যসচিব মনোজকুমার আগরওয়াল-সহ উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। সেই বৈঠকে কেন্দ্র ও রাজ্য জলজীবন মিশনের মউ স্বাক্ষর হয়। শুভেন্দু বৈঠকে বলেন, "এতদিন রাজ্যে শুধু খাতায় কলমে কাজ হত। কেন্দ্র যা টাকা দিয়েছি সেই অনুযায়ী বিগত সরকার কাজ করেনি। জলজীবন মিশনের নাম বদলে 'জলস্বপ্ন' করে দিয়েছিল।" তার ফলে খুব শীঘ্রই বাংলার প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌঁছবে পরিশ্রুত পানীয় জল।
কেন্দ্র সরকারের জলজীবন মিশন প্রকল্প চালু হয় গত ২০১৯ সালে। প্রায় ৬৭,৬৭০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়। আগামী ২০২৮ সালের মধ্যে গ্রামবাংলার প্রতিটি ঘরে ঘরে পরিশ্রুত পানীয় জল পৌঁছনোই লক্ষ্য। তার জন্য গ্রামের ভিতর পাইপলাইন বসানো, জল পরিশোধন প্ল্যান্ট তৈরি করা এবং জলের উৎসের স্থায়িত্ব বজায় রাখা এই প্রকল্পের অংশ। এতদিন তৎকালীন রাজ্য সরকারের টানাপোড়েনে এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত ছিল না বাংলা। তাই তার পরিবর্তে 'জলস্বপ্ন' প্রকল্প চালু করেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। তবে ছাব্বিশের ভোটে ক্ষমতার পালাবদল হয়। বিজেপি প্রথমবার সরকার গঠনের পর একের পর এক কেন্দ্রীয় প্রকল্পে অন্তর্ভুক্তিকরণ হচ্ছে বাংলার। সেই তালিকায় জুড়ল জলজীবন মিশন। বলে রাখা ভালো, আয়ুষ্মান ভারত এবং জাতীয় শিক্ষানীতির সঙ্গেও অন্তর্ভুক্তি হয়েছে রাজ্যের।
