shono
Advertisement
BSF

প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে মহিলার ২৯ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ! দেড় বছর পর গ্রেপ্তার বিএসএফ জওয়ান

চাকরি ছেড়ে এক মিষ্টির দোকানে ম্যানেজারি করতে শুরু করে ওই জওয়ান।
Published By: Anwesha AdhikaryPosted: 12:03 AM Aug 21, 2025Updated: 12:03 AM Aug 21, 2025

অর্ণব আইচ: মহিলাকে প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে তাঁকে পেট্রোল পাম্প কিনিয়ে দেওয়ার নাম করে ২৯ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় বিএসএফ কর্মী। এর পর আর ডিউটিতে না গিয়ে রীতিমতো ছদ্মবেশ নিয়ে বেহালায় এক মিষ্টির দোকানে ম‌্যানেজারি করতে শুরু করে সে। কিন্তু দেড় বছর আগে নদিয়ায় হওয়ার মিসিং ডায়েরি ও পরিচিত কয়েকজনের মোবাইলের সূত্রই ধরিয়ে দিল বিএসএফ থেকে পলাতক ওই জওয়ানকে।

Advertisement

দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়াহাট থানার ওসি অঞ্জন সেনের নির্দেশে ও আধিকারিক অভিষেক সিংয়ের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম বেহালার বুড়োশিবতলায় হানা দিয়ে ওই মিষ্টির দোকান থেকেই গ্রেপ্তার করে গৌতম হালদার নামে ওই ব‌্যক্তিকে। পুলিশ জানিয়েছে, গৌতমের আসল বাড়ি নদিয়ার তেহট্টে। রাজারহাটে বিএসএফের দপ্তরেই কর্মরত ছিল কনস্টেবল গৌতম হালদার। গড়িয়াহাটের ডোভার লেনে একটি অনুষ্ঠানে তার সঙ্গে পরিচয় হয় এক মহিলার।

তাঁর সঙ্গে বেশ কিছুদিন ধরে প্রেমের অভিনয় করে গৌতম। নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখিয়ে তাঁকে একটি পেট্রোল পাম্প কিনিয়ে দেওয়ার কথা বলে। তার জন‌্য মহিলার কাছ থেকে সে আগাম ২৯ লাখ টাকা নেয়। ওই টাকা হাতিয়ে দেড় বছর আগে সে উধাও হয়ে যায়। তেহট্টে গৌতমের স্ত্রী একটি মিসিং ডায়েরি করেন। বিএসএফের গোয়েন্দারাও তার খোঁজ শুরু করেন। শেষে মহিলা গড়িয়াহাট থানায় গৌতম হালদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।

গৌতমের মোবাইল ফোন ছিল বন্ধ। মোবাইলের কল লিস্টে কয়েকজন পরিচিতর নম্বরের সূত্র ধরে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। অন‌্য মোবাইলে পরিচিতর সঙ্গে যোগাযোগ করতে থাকে সে। তাতেই জানা যায় যে, বেহালায় রয়েছে সে। অন‌্য মোবাইলের সূত্র ধরেই মেলে মিষ্টির দোকানের খোঁজ। ধৃত বিএসএফ কর্মীকে জেরা করে ওই টাকার সন্ধান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
  • মিষ্টির দোকান থেকেই গ্রেপ্তার করে গৌতম হালদার নামে ওই ব‌্যক্তিকে।
  • মহিলার কাছ থেকে সে আগাম ২৯ লাখ টাকা নেয়। ওই টাকা হাতিয়ে দেড় বছর আগে সে উধাও হয়ে যায়।
  • গৌতমের মোবাইল ফোন ছিল বন্ধ। মোবাইলের কল লিস্টে কয়েকজন পরিচিতর নম্বরের সূত্র ধরে পুলিশ তদন্ত শুরু করে।
Advertisement