জনগণনায় এবার গুনতে হবে রাস্তার পাশের মন্দির-মসজিদ-গির্জা-গুরুদ্বারও। সরাসরিভাবে প্রশ্ন না তালিকায় থাকলেও এমনটাই নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। মূলত রাস্তার পাশের ধর্মস্থানকে চিহ্নিত করে দাগ দিয়ে রাখতে হবে সমীক্ষকদের। ছবি দিয়ে রাখতে হবে। অর্থাৎ ধর্মনিরপেক্ষ ভারতে কোন ধর্মের কত প্রার্থনাসভা তার সামগ্রিক চিত্র সামনে আনতে চাইছে কেন্দ্র। ফলে নির্দিষ্ট এলাকায় ধর্মের কতটা প্রভাব তাও ফুটে উঠবে। কোনওভাবে পরিসংখ্যানে ঘাটতি রাখা হবে না। সঠিক জায়গার অবস্থান বুঝিয়ে কুয়ো, কল, টিউবওয়েলের ছবিও এঁকে রাখতে হবে। এ ছাড়া স্কুল-কলেজ থাকলে বা ডিসপেনসারি, পঞ্চায়েত ঘর, ডাকঘর প্রভৃতিও বক্স দিয়ে উল্লেখ করতে হবে। এইচএলবি ম্যাপে ৩০০ ঘর বা ৭০০-৮০০ জন নিয়ে হাউসলিস্টিং ব্লকের ক্ষেত্রে আলাদা 'মার্ক' করতে হবে।
শিক্ষক-শিক্ষিকাদের যাতে কোনওরকম ক্লাস নিতে সমস্যা না হয় বা পড়ুয়ারা বঞ্চিত না হন তাই সকালে ক্লাস নেওয়ার প্রস্তাব মানছে রাজ্য সরকার। এমনটাই খবর প্রাথমিক-মাধ্যমিক শিক্ষা দপ্তর সূত্রে।
আগামী ১ আগস্ট থেকে সেনসাস বা জনগণনা শুরু হচ্ছে রাজ্যে। তার আগে উত্তরবঙ্গ-সহ বহু ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ শুরু হয়ে গিয়েছে। ১ আগস্ট থেকে কর্মীরা সংশ্লিষ্ট এলাকা ঘুরে দেখবেন। এরপর ১৬, ১৭ ও ১৮ তারিখ 'নাম্বারিং' করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একমাস ধরে চলবে প্রতিবাড়ি গণনা।
এদিকে, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের যাতে কোনওরকম ক্লাস নিতে সমস্যা না হয় বা পড়ুয়ারা বঞ্চিত না হন তাই সকালে ক্লাস নেওয়ার প্রস্তাব মানছে রাজ্য সরকার। এমনটাই খবর প্রাথমিক-মাধ্যমিক শিক্ষা দপ্তর সূত্রে। এবার গণনাকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণে প্রতিদিনের জন্য ৪০০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি প্রথম ধাপ বা হাউস অফ লিস্টিং পর্যায়ে সম্পন্ন করার জন্য মিলবে ৯ হাজার টাকা। মূল জনগণনা পর্যায় সম্পন্ন করতে ১৬ হাজার টাকা সাম্মানিক দেওয়া হবে।
