আগেই ঘোষণা হয়েছিল। আজ, শনিবার থেকে বাংলায় সার্ভাইকাল ক্যানসারের টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু হয়ে গেল। শুধু তাই নয়, বাংলার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হচ্ছে। রাজ্যের মানুষ যাতে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা পান, সেদিকে জোর দিচ্ছে রাজ্য সরকার। এবার স্বাস্থ্য পরিষেবায় বড় বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এসএসকেএম হাসপাতালে আরও ১০০টি বেড বাড়ানো হল। এদিন মুখ্যমন্ত্রী সেই বেডের উদ্বোধন করেন।
আজ, বিধাননগর হাসপাতালে সার্ভাইকাল ক্যানসারের টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু হল। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল, বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য-সহ বিশিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। কেন্দ্রের সহায়তায় আজ, শনিবার থেকেই গোটা রাজ্যে শুরু এই টিকাকরণ কর্মসূচি। রাজ্যের ১৪-১৫ বছর বয়সী কিশোরীদের এই টিকা দেওয়া হবে। সকল সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রেই এই পরিষেবা মিলবে বলে রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছে। এদিন প্রথম দুই কিশোরীর হাতে টিকাকরণের সার্টিফিকেট তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী।
দুর্গাপুরের হাসপাতালে চলছে টিকাকরণ কর্মসূচি। নিজস্ব চিত্র
জানা গিয়েছে, রাজ্যের ৭ লক্ষের বেশি টিকাকরণের লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে। বাংলার মোট ২৩৫ টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে ওই টিকা দেওয়া হবে। এই কর্মসূচির উদ্বোধনের পর মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "রাজ্যের ১৪-১৫ বছরের কিশোরীদের এই টিকা দেওয়া হবে। এজন্য ৭ লক্ষ ৭২ হাজার ৬৫০ ডোজ পাঠিয়েছে কেন্দ্র।" এদিন দুই কিশোরীর হাতে টিকাকরণের সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়।
এদিন এসএসকেএম হাসপাতালের বেডের সংখ্যাও বাড়ানো হল। এসএসকেএমের মহিলা বিভাগে ২৫টি, শম্ভুনাথ পণ্ডিত হাসপাতালে ২৫টি ও পুলিশ হাসপাতালে ৫০টি বেড বাড়ানো হয়েছে। রাজ্যের সরকারি হাসপাতালের পরিকাঠামো উন্নয়নে বড় নজর দিয়েছে রাজ্য সরকার। স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে একাধিক নির্দেশিকাও ইতিমধ্যে দেওয়া হয়েছে। এদিন বিধাননগর হাসপাতাল থেকে সেই বার্তা ফের দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, "রোগী রেফারে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে সরকার।" দালালচক্র রুখতে, রেফার বন্ধ করতে বিশেষ পদক্ষেপ করার বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। রেফার রুখতে লাইভ মনিটারিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে। জেলা হাসপাতালগুলির উপর নজরদারির জন্য কন্ট্রোলরুম তৈরির ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
